যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নিজস্ব ব্র্যান্ড গড়ার কৌশল নিয়ে ঢাকায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নিজস্ব ব্র্যান্ড গড়ার কৌশল নিয়ে ঢাকায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি উৎপাদক ও উদ্যোক্তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি ও কৌশল সম্প্রতি বিষয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি প্রিমিয়াম কর্মশালা। বিজনেস গ্লোবালাইজার ও স্কাই প্রেপ সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশি ম্যানুফেকচারার টু ইউএস রিটেল ব্র্যান্ড অনার’ শীর্ষক এই কর্মশালাটি রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।


কর্মশালায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৫৭ জন উৎপাদক, রপ্তানিকারক, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী অংশ নেন। 


আয়োজকরা জানান, কর্মশালাটি ছয়টি মূল সেশন ও একটি বিশেষ অতিথি সেশন নিয়ে সাজানো হয়। এতে পণ্য নির্বাচন, বাজার যাচাই, যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা প্রতিষ্ঠা, ব্যাংকিং, লজিস্টিকস, ওয়্যারহাউস ব্যবস্থাপনা, ফুলফিলমেন্ট, মূল্য নির্ধারণ এবং বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতিসহ উৎপাদন থেকে ভোক্তার হাতে পণ্য পৌঁছানোর পুরো প্রক্রিয়া বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। অংশগ্রহণকারীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বাজারে প্রবেশের একটি ধাপভিত্তিক রোডম্যাপও উপস্থাপন করা হয়।


মূল সেশন পরিচালনা করেন বিজনেস গ্লোবালাইজারের লিড কনসালট্যান্ট ও স্কাই প্রেপ সেন্টারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি বক্তা হিসেবে এ সময় বক্তব্য রাখেন এসটি এক্সপ্রেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর ইসলাম, ফ্রন্টিয়ার পেট ফুডস লিমিটেডের পরিচালক আবিদ আজাদ খান এবং ই-কম শিল্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোয়েব আলী শেখ। তাঁরা আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা, সীমান্তপারের ই-কমার্স ও বাজার সম্প্রসারণের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।


আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, উৎপাদনই শেষ কথা নয়। একটি পণ্য যখন নিজস্ব ব্র্যান্ডের পরিচয়ে ক্রেতার হাতে পৌঁছে, তখনই প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়। এই যাত্রার সময় ও ব্যয় কমিয়ে এনে আমরা বাংলাদেশি ব্র্যান্ডগুলোকে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিষ্ঠিত হতে সহায়তা করতে চাই।


আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করা বিজনেস গ্লোবালাইজার গত এক দশকে ৮ হাজারের বেশি কোম্পানি গঠনে সহায়তা করেছে এবং ৫ হাজারের বেশি ক্লায়েন্টকে সেবা দিয়েছে। অন্যদিকে স্কাই প্রেপ সেন্টার যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি ওয়্যারহাউস পরিচালনা করছে এবং ২৫০টির বেশি ক্লায়েন্টকে সেবা দেওয়ার পাশাপাশি ২০ হাজারের বেশি পণ্য চালান ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।


ওয়ার্কশপের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং ও মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে তাঁরা নিজেদের পণ্য, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের কৌশল এবং আন্তর্জাতিক খুচরা ব্যবসার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

Post Views: 46
Comments (0)
No comments yet

Leave a comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।