৮ দেশের অংশগ্রহণে ঢাকায় ডাটা সেন্টার সম্মেলন

আট দেশের অংশগ্রহণে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হল দুই দিনব্যাপী ডাটা সেন্টার প্রযুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক সামিট ও সবুজবান্ধব প্রযুক্তি সম্মেলন।

২ ডিসেম্বর, ঢাকার ফার্মগেইট এলাকায় কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউটে সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইবির সভাপতি কবির আহমেদ ভুঁইয়া এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির সভাপতি ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম ও আাইইবির মহাসচিব প্রকৌশলী আবদুস সবুর, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির আন্তর্যাতিক সংগঠন এশরের বাংলাদেশ শাখার সভাপতি প্রকৌশলী মানস কুমার মিত্র।

উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইইবির সভাপতি কবির আহমেদ ভুঁইয়া বলেন, ডাটা সেন্টার নিয়ে বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের অর্জন প্রশংসিত। ডাটা সেন্টার নিয়ে এধরনের সম্মেলনে দেশী বিদেশী প্রকৌশলীরা পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি নিয়ে জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ পাবেন। আমাদের দেশে যেসব ডাটা সেন্টারের কাজ হচ্ছে সেখানে আমাদের স্থানীয় প্রকৌশলীরা আন্তর্জাতিকমান বজায় রাখছেন। বর্তমানে দেশে ৫০০ শতাধিক ডাটা সেন্টার রয়েছে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটি (বিসিএস), ইনিস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ(আইইবি) এর কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন, ডাটা সেন্টার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডিসিআইকন এবং ASHRAE বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের যৌথ আয়োজনে ঢাকার ফার্মগেইট এলাকায় কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউটে চলেছে দুই দিনব্যাপী এই প্রযুক্তি আয়োজন।

দেশের প্রকৌশল পেশাজীবিদের শীর্ষ সংগঠনের সভাপতি ধন্যবাদ জানান আয়োজক ডিসি আইকনকে বাংলাদেশে ডাটা সেন্টার সম্মেলনের আয়োজন করায়।

প্রথমবারের মতো এ সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, ইতালী, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, নেদারল্যান্ড, ভারত ও স্বাগতিক বাংলাদেশের ৩০ টি সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। প্রযুক্তি প্রদর্শনীর পাশিপাশি বিষয় ভিত্তিক সেমিনার ও অধিবেশন পরিচালনা করেন দেশি বিদেশি ২০ জন প্রযুক্তিবিদ।

অন্যতম আয়োজক ডিসি আইকনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হল আমাদের প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন ও তথ্য প্রযুক্তির বিশাল ক্ষেত্রের একটা অংশ ডাটা সেন্টার নিয়ে কাজ করা যাতে করে আমরা বাংলাদেশের আপামর শিক্ষিত শ্রেণিকে আকৃষ্ট করতে পারি এবং তথ্যপ্রযুক্তির এই খাতকে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।’

মাসুদ পারভেজ আরো বলেন, ‘স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্যাতিক মানকে একত্রিত করতে এই উদ্যোগ। যারা ডাটা সেন্টার করবেন অথবা ইতোমধ্যে তৈরি করে ফেলেছেন, অথবা যারা এই সংক্রান্ত উপকরন তৈরি করছেন তাদের সবাইকে একত্রিত করার সেতুবন্ধন হিসাবে তুলে ধরার প্রয়াসেই আমাদের সার্বিক আয়োজন।’

আগামী বছরের শেষ ভাগে ডাটা সেন্টার সামিটের দ্বিতীয় আয়োজন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান আয়োজকরা।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.