২০১৬ সালে দেশে বিনিয়োগ করবে মালয়েশিয়া

জ্ঞান ভিত্তিক- উদ্ভাবনী আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবসায় মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকে সহজ করার জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়ে  ঢাকা চেম্বার অ্যান্ড কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাট্রির সভাপতি হোসাইন খালেদ বলেন, টেলিকম ও আইসিটি সেক্টরে  মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ উল্লেখ করার মত। সরকারের সহযোগিতা পেলে ২০১৬ সালে তারা আরো বিনিয়োগ বাড়াবে।

শো কেস চতুর্থ মালয়েশিয়ার উদ্বোধনী দিনে আজ ১৫ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার, রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বাংলাদেশ- মালয়েশিয়া বাণিজ্য সম্পর্ক: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সেমিনারে হোসাইন খালেদ বলেন, শীর্ষ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের টপ ফাইভের লিস্টে মালয়েশিয়ার অবস্থান চতুর্থ।
বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বার অ্যান্ড কমার্স ইন্ডাস্ট্রি (বিএমসিসিআই) আয়োজিত  সেমিনারে  মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটির এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান পবন চৌধুরি এবং মালয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠান ম্যাট্রেইডের ডিরেক্টর আবু বকর কায়াকুট্টি।
 আলোচনায়  অংশ নিয়ে ইডটকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড্যারিল সিনাপ্পা বলেন, উদ্ভাবনী টেলিকম সেবা নিয়ে আমরা বাংলাদেশের বাজারে আছি। শতভাগ মালয়েশিয়ান কোম্পানি হিসাবে ইডটকো ইতোমধ্যে ১০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার বিনিয়োগ করেছে। সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব নীতি অব্যাহত থাকলে ২০১৬ সালে আমরা  বড় অংকের বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক।
 তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেলিকম শিল্পে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ভিত্তিক সার্ভিস দেয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত।  পরিবেশন বান্ধব জ্বালানী সুরক্ষা নিয়ে আমরা এখানে  সেবা দিতে চাই।
৮ হাজারের মত মোবাইলফোনের টাওয়ার নিয়ে তারা ইতোমধ্যে সরকারের এনওসি নিয়ে কাজ শুরু করেছেন যেখানে সরকারের সহযোগিতা আরো বড় পরিসরে বিনিয়োগ  করার সুযোগ তৈরি করবে বলে সিনাপ্পা জানান।
 আলোচনায় বিনিয়োগ বোর্ডের ডেপুটি ডিরেক্টর  মো. আরিফুল হক বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ বান্ধব দেশ। এখানে বিদেশিদের বিনিয়োগ সুরক্ষায় আমরা সব সময় সহযোগিতা করে যাচ্ছি। মালয়েশিয়ার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক পুরনো। আমরা এখানকার নতুন নতুন সেবায়  মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ চাই।
 সিনিউজভয়েস/ডেক্স

 

Please Share This Post.