২০১৬ সালে ইন্টেলের নতুন প্রযুক্তি চমক

ঢাকাঃ ২০১৬ সালে প্রযুক্তির বাজারে বেশ চমক নিয়ে আসছে ইন্টেল। প্রতিষ্ঠানটি তাদের উৎপাদিত কম্পিউটার এবং মোবাইল ডিভাইসের জন্য আনছে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম। নতুন বছরে ইন্টেলের বহনযোগ্য স্টিক, বক্স কম্পিউটার এবং সর্বাধুনিক প্রসেসরের চাহিদা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে ইন্টেলের কান্ট্রি বিজনেস ম্যানেজার জিয়া মনজুর।

তিনি সোমবার একটি হোটেলে ‘ইন্টেল প্রেডিকশন্স ইভেন্ট ২০১৬’ শীর্ষক সেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে একটি যন্ত্র আরেকটি যন্ত্রের সঙ্গে নিজে থেকেই যোগাযোগ করবে। এতে করে মানুষের জীবন যাত্রা আরও সহজ করবে। ইন্টেলও ইন্টারনেট অব থিংকস নিয়ে কাজ করছে।

মনজুর বলেন, ২০১৫ সাল ছিল ইন্টেল এবং তথ্যপ্রযুক্তি ইন্ডাস্ট্রির জন্য সামগ্রিকভাবে একটি যুগান্তকারী বছর ছিল। কেননা, এ বছর মোবাইল ডিভাইসেস এবং ইন্টারনেট অব থিংসের জগতে বিপ্লব ঘটতে শুরু করেছে। এই অগ্রগতি ২০১৬ সালেও অব্যাহত থাকবে।

ইন্টার‌অ্যাকটিভ এই সেশনে জিয়া মনজুর ২০১৫ সালে ইন্টেলের প্রধান প্রধান উদ্ভাবন প্রদর্শনের পাশাপাশি ২৯১৬ সালের উদ্ভাবন নিয়ে পূর্বাভাস দেন।

তিনি জানান, আগামী বছর মানুষের জীবনযাত্রাকে সামনে থেকে প্রভাবিত করবে সংযোগ ব্যবস্থা। নতুন কিছু উদ্ভাবন নিয়ে ইন্টেল অপেক্ষা করছে একটি অসাধারণ বছরের যেটি হবে এশিয়া তথা বিশ্বের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের ইন্টেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসছে বছর অপেক্ষাকৃত ছোট ডিভাইসের চাহিদা বাড়বে। পরিবর্তিত হচ্ছে প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের কার্যকলাপ। প্রসারমান ক্লাউড ভিত্তিক সেবার ব্যবহার আরও বিস্মৃত

২০১৬ সালে ইন্টেল গুড়ত্ব দিচ্ছে সংযোগে যেটি এশিয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও জাপানের মত দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণির প্রযুক্তি ব্যবধান কমিয়ে দিবে।

আসছে বছরের ইন্টেলের পণ্য সম্পর্কে আভাস দিয়ে জিয়া মনজুর জানান, আগামী বছর ইন্টেল ১৪ থেকে ১৫ ইঞ্চির পর্দার নোটবুক এবং ১০ থেকে ১১ ইঞ্চির পর্দার ট্যাবলেট কম্পিউটার উৎপাদন ও বিপণনে বেশি মনোযোগ দেবে।

এছাড়াও এশীয় প্রশান্ত এলাকা এবং জাপানের মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানোর জন্য অপেক্ষাকৃত ছোট আকারের পণ্য উৎপাদন করছে ইন্টেল ও এর অংশীদার সংগঠনগুলো।

ইন্টেল নেক্সট ইউনিট অব কম্পিউউটিং (এনইউসি) এবং কম্পিউটার স্টিক এ অঞ্চলে প্রযুক্তি ব্যবহার বৃদ্ধিতে প্রভাব রাখবে। এছাড়াও ২০১৬ সালে প্রযুক্তি পণ্যে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যোগ হয়ে তা মানুষের মানবিক চাহিদা পূরণ করবে।

এক্ষেত্রে, ইন্টেলের রিয়েল সেন্স ক্যামেরা যেকোনো পণ্যে মানবিক অবস্থান, শিল্পক্ষেত্রে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট সহ ইন্টেলের সর্ববৃহৎ কোর প্রসেসর, কন্ঠ নির্ভর স্মার্ট ঘড়ি ও ফোন অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানে ইন্টেলের মার্কেটিং ম্যানেজার অ্যামিলা প্যাথিরানাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সিনিউজভয়েস/ডেক্স

Please Share This Post.