১২৪ ভিওআইপি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল

অবৈধ পথে আন্তর্জাতিক কল আদান-প্রদান বন্ধের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে ভিওআইপি সার্ভিস প্রোভাইডার (ভিএসপি) লাইসেন্স দেয়া হয়। কিন্তু লাইসেন্স মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও তা নবায়ন না করায় ১২৪টি ভিএসপি লাইসেন্স বাতিল করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৬টি প্রতিষ্ঠান সরকারের বকেয়া পাওনা পরিশোধ ও যথাসময়ে নবায়নের আবেদন করেনি এবং ১৮টি প্রতিষ্ঠান যথাযথভাবে আবেদন করেনি বিধায় উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ভিএসপি লাইসেন্স নবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

এতে আরও বলা হয়, এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের অনুকূলে ইস্যু করা ভিএসপি লাইসেন্সের কোনও বৈধতা নেই বিধায় ভিএসপি সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কার্যক্রম অনতিবিলম্বে বন্ধের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো। লাইসেন্সগুলোর অধীনে কার্যক্রম অবৈধ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ এর অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

এ সময় শেষে আর কোনো আবেদন গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে আবেদন করে ৫৯৮টি প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত সময়ের পরেও কিছু প্রতিষ্ঠান এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। তবে ১২৪টি প্রতিষ্ঠান নিষ্ক্রিয় থাকায় তাদের লাইসেন্স বাতিল করে বিটিআরসি।

বিটিআরসির নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ভিএসপি লাইসেন্সের এককালীন ফি নির্ধারণ করা হয় ৫ লাখ টাকা। পাশাপাশি পারফরম্যান্স ব্যাংক গ্যারান্টি হিসেবে আড়াই লাখ টাকা করে জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোর।

এর সঙ্গে রয়েছে ১৫ শতাংশ হারে মূল্য সংযোজন কর। এছাড়া বার্ষিক লাইসেন্স ফি ধরা হয়েছে ১ লাখ টাকা। নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য দেয়া এ লাইসেন্স পরবর্তীতে দুই বছর পর পর নবায়ন করা যাবে।

লাইসেন্সিং নীতিমালা অনুযায়ী আয়ের ১০ শতাংশ সরকারকে দেয়ার কথা ভিএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর। কিন্তু ব্যবসায়িক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারায় বার্ষিক লাইসেন্স ফি মওকুফের পাশাপাশি আয় ভাগাভাগির অংশ ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করে এসব প্রতিষ্ঠান।

-সিনিউজভয়েস/ডেক্স/০৭আগস্ট/১৯

 

 

Please Share This Post.