হয়ে গেল ফাল্গুনী কোড স্প্রিন্ট

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে দেশে ও বিদেশে সম্ভাবনার দুয়ার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এই সম্ভাবনার সুযোগ নেওয়ার জন্য শিক্ষাজীবনেই শিক্ষার্থীদের তৈরি হওয়া দরকার। তত্ত্বীয় জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি শিল্পের চাহিদা, প্রত্যাশা ও প্র্যাকটিস সম্পর্কে ধারণা থাকা বাঞ্চনীয়। আইসিটি শিল্পে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হতে আগ্রহী স্নাতকদের জন্য আয়োজিত দুইদিন ব্যাপী ফাল্গুনী কোড স্প্রিন্টের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। নগরীর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের অডিটরিয়ামে আয়োজিত সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জহুরুল ইসলাম।

এসময় তিনি সার্টিফিকেটের চেয়ে জ্ঞানার্জনে বেশি মনোযোগী হওয়ার আহবান জানান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসাইন, শাহরিয়ার রহমান, সোলশেয়ারের কর্মকর্তা ক্রিস্টিয়ানো হালদার, কোভ্যালেন্ট এআই-এর প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা তারিক আদনান মুন ও বিডিওএসএনের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টার যৌথভাবে এই আয়োজন করে।

এর আগে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭ জন সদ্য স্নাতক বা সমাপনী পর্বের শিক্ষার্থীরা ৮টি দলে ভাগ হয়ে একটি সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করে। প্রতিটি দলের একজন করে মেন্টর ছিলেন যারা কোন না কোন আইটি  প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। টাকা ৩৫ ঘন্টা কাজ করার পর অংশগ্রহণকারীরা তাদের কাজের ফলাফল উপস্থাপন করেন। দিন শেষে তারিক আদনান মুন জানান – শিক্ষার।থীদের পারফরম্যান্সে তিনি বেশ খুশী। এখান থেকে নির্বাচিতদের নিয়ে ফেলোশীপের মাধ্যমে তাদেরকে সহজে সফটওয়্যার শিল্পের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা যাবে।

এই স্প্রিন্টের মাধ্যমে নির্বাচিতরা কোভ্যালেন্ট এ আই, সোল শেয়ার, পাঠাও, ব্যাকপ্যাক, গেইজ টেকনোলজি, ডেলিগ্রামে ইন্টার্নশীপ/ফেলোশীপের সুযোগ পাবেন।

-সিনিউজভয়েস/জিডিটি/১৭এফ/১৯

Please Share This Post.