স্মার্টফোনের নমনীয় ও এলইডি ডিসপ্লে

স্মার্টফোনের টাচস্ক্রিনগুলো দিয়ে অনেক কাজই করা যায় সন্দেহ নেই, তবে এগুলোর একটি সমস্যা হচ্ছে, এগুলোর অনমনীয়তা। আবার অনেকে মনে করেন, ব্যবহাকারীদের স্পর্শের জবাবে এগুলোর যতটুকু সাড়া দেয়া দরকার ততটুকু দেয় না। আপনিও যদি এরকম মনে করেন তাহলে নমনীয় ওএলইডি (অর্গানিক লাইট এমিটিং ডায়োড)-ই হচ্ছে সমাধান। ওএলইডি হচ্ছে একটি অর্গানিক সেমিকন্ডাক্টর যেটিকে মোড়ানো বা বাঁকাচোরা অবস্থায় রাখলেও এটি আলোকে প্রদর্শন করতে পারে। এটিকে প্লাস্টিকের তৈরি বাঁকানো চোরানোর উপযোগী একটি সারফেসের সাথে লাগিয়ে দিলে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের এবং পুরোপুরি নমনীয় একটি স্মার্টফোন স্ক্রিন পাবেন।

এই স্ক্রিনকে বাঁকানো যাবে, ভাঁজ করা যাবে এবং এ অবস্থাতেই এর সঙ্গে সংযুক্ত কম্পিউউটার স্ক্রিনের সঙ্গে এটি যোগাযোগ করতে পারবে। ফোনটাকে বাঁকানোর মাধ্যমে জুম ইন বা জুম আউট করা যাবে, এর একটি কোণাকে বাঁকালে ভলিউম বাড়বে, আবার অন্য কোণাকে বাঁকালে ভলিউম কমবে। উভয় কোণাকে বাঁকিয়ে ধরলে অনেকগুলো ছবির মধ্যে স্ক্রল ডাউন করা যাবে। এরকম নানা সুবিধা থাকবে এগুলোর মধ্যে।

এ ধরনের নমনীয় ইউজার ইন্টারফেস-এর সুবাদে আমরা প্রাকৃতিকভাবেই স্মার্টফোনের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারব, বিশেষ করে যখন আমাদের হাত দুটো টাচস্ক্রিনের ওপর ব্যস্ত থাকবে। হাতে গ্লাভস পরা থাকলে বা বড় আঙ্গুল দিয়ে ছোট আকারের স্ক্রিনে কাজ করার ক্ষেত্রে স্মার্টফোনের টাচস্ক্রিনের সাড়া দেয়ার ক্ষমতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে সেটির উত্তর দেয়ার জন্য নতুন ধরনের এই ইউজার ইন্টারফেসকেই অবলম্বন করতে হবে। এই ইউজার ইন্টারফেসযুক্ত স্মার্টফোন থাকলে আপনাকে যা করতে হবে তা হচ্ছে, এটিকে আপনার হাতের তালু দিয়ে একটু চাপ দেয়া। ব্যস, তাহলেই রিসিভ হয়ে যাবে ইনকামিং কল।

-সিনিউজভয়েস/জিডিটি/০৫আগস্ট/১৯

Please Share This Post.