স্করপিয়নস কনসার্টে রবি ইয়োন্ডার মিউজিক অ্যাপের ৪ সৌভাগ্যবান

কিংবদন্তি রক ব্যান্ড স্করপিয়নস এর ৪ জন ভক্তের স্বপ্ন পূরণ করলো রবি ইয়োন্ডার মিউজিক অ্যাপ। এই ৪ বাংলাদেশী স্করপিয়নস ব্যান্ডের ভক্তদের রবি ইয়োন্ডার মিউজিক অ্যাপ ব্যান্ড সদস্যদের সাথে সাক্ষাত এবং মালয়েশিয়ায় স্করপিয়নস এর ৫০ বছরপূর্তি কনসার্ট উপভোগ করার অসাধারণ এক সুযোগ করে দিয়েছে।

ঐতিহাসিক এই কনসার্ট সামনের সারি থেকে উপভোগ করার অসাধারণ সুযোগ পাওয়া ভাগ্যবান চার বাংলাদেশী হচ্ছেন – মোঃ ওয়ালিউল্লাহ শাহান কবন্ধ, আবিদুর রহমান, রুসাফা রুহিনি এবং সাইফ উজ জামান।

স্করপিয়নস ব্যান্ডের গিটারিস্ট ও ফাউন্ডার, ৬৬ বছর বয়সী রুডলফ শেনকার রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনকে বলেছেন, ‘আমি যখন ৫০ বছর আগে আমার ব্যান্ড শুরু করি, তখন আমি চার পাঁচ জনকে চিনতাম, যারা বিশ্বের নানা প্রান্তে একসাথে ঘুরে ঘুরে রক মিউজিকের মাধ্যমে অগনিত বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী তৈরি করতেন।’ আমি বলতাম, ‘আমিও একই জিনিস করতে চাই।’ ‘আমি চাইতাম আমার সাথে কিছু অসাধারণ সংগীত শিল্পী থাকুক এবং তাদের সাথে যেন আমার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।’

ইয়োন্ডার মিউজিক বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার, ইমরুল করিম বলেন, ‘আপনার পছন্দের ব্যান্ডকে কনসার্টে সামনাসামনি উপভোগ করার মতো অনুভূতি পৃথিবীতে অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করা যায় না। আমার পছন্দের কিছু ব্যান্ডের সাথে আমার এই অভিজ্ঞতা হয়েছে এবং এজন্য অন্য সংগীত প্রেমীদের স্বপ্ন পূরণ করার মাধ্যমে আমি অসাধারণ আনন্দ অনুভব করছি। দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে ইয়োন্ডার মিউজিক এর অবাধ বিচরণ অব্যাহত থাকবে আর সেই সাথে সময়ে সময়ে এধরনের অভাবনীয় সুযোগ লুফে নেবার হাতছানি তো রয়েছেই!’

ইয়োন্ডার মিউজিক সম্পর্কে
ইয়োন্ডার মিউজিক হচ্ছে সাহসী, ফিচারে সমৃদ্ধ, সামাজিকভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ, ডিজিটাল মিউজিক সার্ভিস যার প্রধান কার্যলয় যুক্তরাষ্টের নিউ ইয়র্ক শহরে অবস্থিত। এটি এর ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে লক্ষ লক্ষ গান ডাউনলোড, প্লে এবং শেয়ার করার অধিকার দেয়। মালয়শিয়ায় ইয়োন্ডার মিউজিক ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে যাত্রা শুরু করেছে এবং ৬ মাসেই ৩,০০.০০০ ব্যবহারকারী পেয়ে গিয়েছে।

ইয়োন্ডার মিউজিক সংগীতের ব্যাবসাকে শক্তিশালী গণতন্ত্রে রূপান্তরিত করছে নেটওয়ার্ক সার্ভিসের মধ্যে খরচকে সমন্বয় করে। এর মাধ্যমে ৯৯% মোবাইল ব্রডব্যান্ড গ্রাহককে সমন্বয় করা হচ্ছে, যারা ডিজিটাল মিউজিকের জন্য নিয়মিত অর্থ পরিশোধ করে না। এর সাথে সাথে শিল্পী ও সুরকারদের লাইসেন্স করা লভ্যাংশ থেকে টাকা প্রদান করা হচ্ছে; যতবার তাদের সংগীত প্লে করা হয়েছে, তার উপর নির্ভর করেই এই অর্থ প্রদান করা হয়।

ইয়োন্ডার মিউজিকের মূলমন্ত্র হচ্ছে “হিয়ার ফরএভার”, যার অর্থ হচ্ছে এটি সবসময় মার্কেটে সক্রিয়। এটি স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সংগীত শিল্পীদের একসাথে করে সংগীত প্রযোজনা করছে, লাইভ কনসার্ট আয়োজন করছে এবং সবচেয়ে সক্রিয় ব্যবহারকারীদের বিশ্বব্যাপী কনসার্টে নিয়ে যাচ্ছে। যেমন ২০১৫ এর নতুন বছরের সন্ধ্যায় সবচেয়ে সক্রিয় ব্যবহারকারীদের লাস ভেগাসে ব্রুনো মার্স এর কনসার্টে নিয়ে যাওয়া হয়। এরকম আয়োজন সামনে আরও আসছে। ইয়োন্ডার মিউজিকের লক্ষ্য হচ্ছে এটিকে ব্যবহারকারীদের জীবনের অপরিহার্য অংশে পরিণত করা এবং এর ব্যবহারকারীদের এমন অতুলনীয় অভিজ্ঞতা প্রদান করা , যেটি তারা অন্য কোথাও পাবেন না।

ইয়োন্ডার মিউজিক ‘হিয়ার ফরএভার’, একমাত্র রবির সঙ্গে বাংলাদেশে।আরো তথ্যের জন্য ভিজিট: www.yondermusic.com

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.