সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াইফাই মিলবে

ঢাকাঃ ইতিমধ্যে সকল সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি ওয়াই-ফাই এর ব্যবস্থা করা হয়ছে। বর্তমান সরকার দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াইফাই দেওয়ার লক্ষে কাজ করছে। খুব শীঘ্রই তা বাস্থবায়ন করা হবে। ‘কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিযোগিতার অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের যাচাই-বাছাই পর্বের অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন, আইসিটি সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, বেসিস সভাপতি ও ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটালের জেনারেল পার্টনার শামীম আহসান, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এস এম আশরাফুল ইসলাম এবং বাংলালিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস্ ও হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর গত ১৮ অক্টোবর জনতা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের উদ্বোধন করা হয়। এই পার্কে যাতে আন্তর্জাতিকমানের উদ্যোগ গড়ে উঠে, বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি তৈরি হয় তার জন্যই আমরা কানেক্টিং আয়োজন করি। এতে ৪ শতাধিক আবেদন পড়েছে, যা সত্যিই আশাব্যঞ্জক। আমরা দেশে ১ হাজার উদ্ভাবনী প্রকল্প তৈরিতে কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, দেশে সাড়ে ৩ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের হাতে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে পারলে দেশে উন্নয়ন সম্ভব। অআর সেটা হচ্ছে, সরকার দেশের প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে কাজ করছে।

বেসিস সভাপতি ও ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটালের জেনারেল পার্টনার শামীম আহসান বলেন, আইসিটি ডিভিশন ও বেসিস দেশে ১ হাজার উদ্ভাবনী প্রকল্প তৈরিতে কাজ করছে। এগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটালসহ সম্ভব আরও কিছু বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব উদ্যোগকে সিলিকন ভ্যালির কোম্পানিগুলোর সংস্পর্ষে আনাসহ তাদের বিনিয়োগ, মেন্টরিংসহ প্রয়োজনীয় সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা পেতে সাহায্য করবে বেসিস।

বাংলালিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস্ বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে আমাদের সহযোগিতা ও কর্পোরেট রেসপনসিবিলিটি (সিআর) এর আওতায় দেশে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা জনতা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে বাংলালিংকের সহযোগিতায় ডিজিটাল ইনকিউবিটের সাপোর্ট সেন্টারে এক বছরের জন্য বিনামূল্যে জায়গা বরাদ্ধ পাবে। পাশাপাশি বিজয়ীরা আর্থিক অনুদান এবং মেন্টরিংয়ের সুযোগ পাবে। এছাড়া নির্বাচিত আরও অর্ধশত উদ্যোগ এই ডিজিটাল ইনকিবিউটরে জায়গা বরাদ্ধ নিতে পারবে।

 অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের সৌজন্যে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ৪ শতাধিক সিম বিতরণ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনের পর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ‘হাউ টু বিকাম এ উইনার’, ‘ফান্ড রাইজিং’ ও ‘নেক্সট জেনারেশন মার্কেটিং’ শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তিবিদরা আলোচক হিসেবে ছিলেন।

আইসিটি ডিভিশন, বেসিস, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) যৌথভাবে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এই আয়োজনে ইনকিউবেশন ও টেলিকম পার্টনার হিসেবে বাংলালিংক এবং অন্যান্য সহযোগি হিসেবে রয়েছে ফেনক্স ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, গ্যাপ এবং কিজকি।

সিনিউজভয়েস/তৌহিদ

Please Share This Post.