শিশুদের জন্য চালু হচ্ছে ‘এলজি আইটি একাডেমি’

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তিতেও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে এলজি ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ ও জাগো ফাউন্ডেশন। এরই অংশ হিসেবে রাজধানীর রায়েরবাজার এলাকায় অবস্থিত জাগো স্কুলে ‘এলজি আইটি একাডেমি’ নির্মিত হবে।

আজ মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) রায়েরবাজারে জাগো ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এই ‘এলজি আইটি একাডেমি’ নির্মাণে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এমওইউতে এলজি ইলেকট্রনিক্স বাংলাদেশ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাডওয়ার্ড কিম এবং জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান করভি রাখসান্দ স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশ’র হেড অব কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স মাহমুদুল হাসান, সহকারী ব্যবস্থাপক মো. মনোয়ার হোসাইন এবং জাগো ফাউন্ডেশনের জেষ্ঠ্য ব্যবস্থাপক (পার্টনারশিপ অ্যান্ড ব্রান্ডিং ডিপার্টমেন্ট) নুসরাত জেরিন

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, কম্পিউটার ও আধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ‘এলজি আইটি একাডেমিতে’ জাগো ফাউন্ডেশনের শিশু শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এই একাডেমি নির্মাণে আর্থিক সহায়তা দিবে এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশ। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে এই একাডেমির সুবিধা নিতে পারবে শিশু ও শিক্ষার্থীরা। এখানে শিশুরা কম্পিউটারের ব্যবহার এবং তথ্য প্রযুক্তির নানা দিক সম্পর্কে জানতে পারবে।

এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাডওয়ার্ড কিম বলেন, নতুন নতুন ইলেক্ট্রনিক পণ্য উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য আনার চেষ্টা করছে এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশ। টেকসই উন্নয়নে জনগণকে সামিল করতেও আমাদের অব্যাহত চেষ্টা রয়েছে। মানসম্পন্ন শিক্ষার মাধ্যমেই দারিদ্র দূর করে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরকে মানসম্পন্ন শিক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে জাগো ফাউন্ডেশন দারুন কাজ করছে। এলজি আইটি একাডেমিতে এই শিশুরা তথ্য প্রযুক্তির আলোয় আলোকিত হওয়ার সুযোগ পাবে। এটি তাদের জীবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এক্ষেত্রে সহায়তা দিতে পেরে আমরা আনন্দিত।

জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান করভি রাখসান্দ বলেন, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এলজি আইটি একাডেমি শিশুদের শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের সার্বিক জীবনযাপনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। এটি প্রতিষ্ঠায় সহায়তার জন্য এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশকে অশেষ ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

-সিনিউজভয়েস/ডেক্স

Please Share This Post.