ভিয়েতনামে ১০ হাজার ইন্টারনেট সেনা

ভিয়েতনামের সেনাবাহিনী প্রায় ১০ হাজার সেনার একটি দল গঠন করেছে যারা ইন্টারনেটে নজরদারি করবে। ভিয়েতনামের সেনাবাহিনী পিপলস আর্মি-র একজন মুখপাত্র এ প্রসঙ্গে জানান, এই বাহিনীর নাম হবে সাইবার ট্রুপ এবং তাদের কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচার প্রচারণা ছড়ানোকে ঠেকানো। ভিয়েতনামে বিপুল সংখ্যক ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী রয়েছেন, তবে একইসঙ্গে সেদেশের সরকারের বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির কমিউনিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লেখালেখির অভিযোগে কয়েকজন ব্লগার আটকও হয়েছেন। এখন সাইবার বাহিনী গঠন করার কারণে কেউ কেউ ভিয়েতনামকে তুলনা করছেন চীনের সাথে, যেখানে অনলাইনে মতপ্রকাশের ওপর নজরদারি আরোপ করা হয়।

ভিয়েতনামি সামরিক বাহিনীর পলিটিক্যার ডিপার্টমেন্টের উপ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুগয়েন ট্রং এনঘিয়া সম্প্রতি ক্রিসমাস দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় ফোর্স ৪৭ নামে এই সাইবার বাহিনীর কথা ঘোষণা করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এও শোনা যাচ্ছে যে তিনি বলেছেন, ভিয়েতনামের নয় কোটি জনসংখ্যার ৬২.৭ শতাংশেরই ইন্টারনেটে অ্যাকসেস রয়েছে, তবে একই সঙ্গে এও বলেছেন যে, ইন্টারনেটর এই উচ্চ  প্রবৃদ্ধি দেশের জন্য ভাল ও মন্দ দুটোই নিয়ে আসতে পারে। ভিয়েতনামে স্বাধনি রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠন গড়ে তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২০১৩ সালে সেদেশে একটি আইন পাশ করা হয় যাতে অনলাইনে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও এটি ফেসবুকের দশটি সেরা বাজারের একটি হিসেবে স্বীকৃত।

সিনিউজভয়েস//ডেস্ক/

 

 

Please Share This Post.