ভাষা আন্দোলনই বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেছেন, অমর একুশে ভাষা আন্দোলনই বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে। এর ভিত্তি ধরে ধাপে ধাপে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয় এবং স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। ভারত বিভক্তির পূর্বেই বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষার মর্যাদা সম্পর্কে কথা বলেছেন। তাই, অমর একুশ নিয়ে কথা গেলে জাতির পিতাকে স্মরণ করতে হয়। মন্ত্রী আজ (২৩ ফেব্রুয়ারি) কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে অমর একুশ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) আয়োজিত একুশের চেতনা ও সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশে গ্রন্থাগার শীর্ষক আলোচনা ও আইডিইবি স্বাধীনতা গ্রন্থাগারে বঙ্গবন্ধু কর্নার এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
আইডিইবি’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তাক গাউসুল হক। বক্তব্য রাখেন আইডিইবি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুর রহমান ও আইডিইবি’র লাইব্রেরী সম্পাদক আ ম সাইফুল ইসলাম।
মন্ত্রী বলেন, একটি সমাজকে সুস্থ ধারায় এগিয়ে নিতে হলে জ্ঞানের বিকাশ অপরিহার্য। এক্ষেত্রে গ্রন্থাগার সহায়ক ভ‚মিকা রাখতে পারে। বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন সেই দেশ গড়তে হলো সোনার মানুষের প্রয়োজন রয়েছে। আলোকিত মানুষ ছাড়া সোনালী ভবিষ্যত নির্মাণ সম্ভব নয়। প্রধান অতিথি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা ছাত্রদের সর্বদা জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হবার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন, ছাত্রদের হাতে বই ও কলম তুলে দিচ্ছেন। আমাদেরকেও একই পন্থা অনুসরণ করতে হবে।
বিশেষ অতিথি জিয়াউল আলম বলেন, আইটি মূল কাজ করেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারগণ, অথচ তাদেরকে মূল জনবল কাঠামো রাখা হচ্ছে না। এটা দুঃখজনক। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে দক্ষদের সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি আইডিইবি স্বাধীনতা গ্রন্থাগারকে ই-গ্রন্থাগারে রূপান্তরে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। আলোচক ড. গাউসুল হক বলেন, মেধা ও অভিজ্ঞতাকে ধরে রাখার জন্য আমাদের উদ্যোগী হতে হবে, অন্যথায় জাতি হিসেবে আমরা বেশি দূর এগিয়ে যেতে পারবো না।

Please Share This Post.