ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে “মিট দ্যা এন্টারপ্রেনিউয়ার্স” অনুষ্ঠিত

৮ই মার্চ বুধবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন এন্টারপ্রেনারশীপ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে “মিট দ্যা এন্ট্রারপ্রেনিউয়ার্স”। ১১তম বারের মতো এই আয়োজন করে এন্টারপ্রেনারশীপ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম। এই অনুষ্ঠানে মূলত দেশের প্রথিতযশা উদ্যোক্তাগণ নিজেদের সাফল্যের গল্প বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শোনান।

এবারের আয়োজনে দেশের ৪জন প্রথিতযশা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর সামনে তাদের উদ্যোক্তা জীবনের কথা এবং তাদের সাফল্যের পেছনের গল্প শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন। উদ্যোক্তারা হলেন খাদ্য বিপণন রেস্তোরা “চিলারস” এর প্রতিষ্ঠাতা এবং কর্ণধার তাসনিয়া আতিক,(ইন্টারন্যাশনাল এঞ্জেলস এ্যাসোসিয়েশন) এর বাংলাদেশ শাখার প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আজিজুল বারী, ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান “মিডিয়া-প্র”এর কর্ণধার রাসেল খান এবং আন্তর্জাতিক গেইম নির্মাণ প্রতিষ্ঠান “রাইজ আপ ল্যাবস” এর প্রতিষ্ঠাতা এরশাদুল হক। “এন্টারপ্রেনারশীপ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম” এর উপদেষ্টা তানজীন হুদা এর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের প্রথমে তাসনিয়া হক ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সামনে তিনি কিভাবে তার ইচ্ছাশক্তি দিয়ে বিভিন্ন প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে দেশের শীর্ষ খাদ্য বিপণন প্রতিষ্ঠান “চিলারস” এর কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তা তুলে ধরেন।তিনি উপস্থিত নারী শিক্ষার্থীদের নিজের উপর আস্থা রেখে নিজের ইচ্ছাকে প্রাধান্যকে কাজ করে এগিয়ে যেতে বলেন।

brac 1

ইন্টারন্যাশনাল এঞ্জেলস এ্যাসোসিয়েশন এর প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আজিজুল বারী শিক্ষার্থীদের দেশের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করতে আহবান জানান।তিনি বলেন,শুধুমাত্র লাভের আশায় উদ্যোক্তা না হয়ে সমাজসেবার লক্ষ্য নিয়েও উদ্যোক্তা হওয়া যায়।

মিডিয়া-প্র এর কর্ণধার রাসেল খান ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসায় তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন কাউকে উদ্যোক্তা হতে হলে নিজের উপর আস্থা রেখে কাজ করে যেতে হবে। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের তিনি বলেন, একাগ্রতা বজায় রাখলে অন্যদের থেকে আলাদা উদ্যোগ নিয়েও শীর্ষে যাওয়া যায়।
রাইজ আপ ল্যাবসের প্রতিষ্ঠাতা এরশাদুল হক বলেন,বিশ্বব্যপি গেইম এর বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে।বাংলাদেশের বাজারেই এখন প্রায় সাত কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছে। তাহলে ধরে নিতে পারি শুধু বাংলাদেশকে ফোকাস করেও যদি কেউ গেম তৈরি করে, তাহলে নিজের দেশেই একটি বিশাল বড় গেমের বাজার তারা ধরে নিতে পারবে। মোবাইল গেমের জন্য সবচেয়ে বড় ইতিবাচক জায়গা হচ্ছে ইন্টারনেট। কারণ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে গেম নির্মাতারা আয় করার সুযোগটা পেয়ে থাকেন। তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের তৈরি গেমগুলোর মধ্যে রুফটপ ফ্রেঞ্জি, ট্যাপ ট্যাপ অ্যান্টস-ক্লাসিক, ট্যাপ ট্যাপ অ্যান্টস-ব্যাটল ফিল্ড, হাইওয়ে চেজ, বাবল অ্যাটাক, স্পিড ট্যাপিং, আই ওয়্যার হাউস, ফ্রুটিটো, ব্রেইন বস এবং মীনার সাফল্য শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন।
আয়োজকরা জানান,মূলত এর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা তাদের সফল হবার পেছনের গল্প ছাড়াও একজন উদ্যোক্তার করণীয় কাজ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদানকরেন এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে আগামীর উদ্যোক্তা বের হয়ে আসবে।
অনুষ্ঠানে স্ট্রাটেজিক পার্টনার ছিল-“বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম”,মিডিয়া পার্টনার “দেশ টিভি”এবং অনলাইন মিডিয়া পার্টনার ছিল দেশের সর্ববৃহৎ ক্যাম্পাস ভিত্তিক ইনফোরমেশন পোর্টাল স্টুডেন্টবিডি২৪।

সিনিউজভয়েস