বেসিসের বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যের কল্যাণে গুরুত্বারোপ

সদস্যরাই বেসিসের প্রকৃত কর্ণধার, সদস্যদের কল্যাণ সাধনে কাজ করে যাবে দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। ১৩ জানুয়ারি শনিবার, রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি মিলনায়নে বেসিসের ১৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এমন লক্ষ্যই প্রকাশ করা হয়।

বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীরের সভাপতিত্বে সভায় বেসিসের সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বেসিসের দুই শতাধিক সদস্য প্রতিষ্ঠানসহ এই সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, ফারহানা এ রহমান, পরিচালক উত্তম কুমার পাল, পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, পরিচালক সোনিয়া বশির কবির, পরিচালক রিয়াদ এস এ হোসেন ও পরিচালক দেলোয়ার হোসেন ফারুক।

সভায় বেসিস সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান বেসিসের ২০১৭ সালের কর্মকাণ্ডের বিবরণী তুলে ধরেন। অপর সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান বিগত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পেশ করেন। পেশকৃত এসব প্রতিবেদনের ওপর সভায় উপস্থিত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য আলোচনায় অংশ নেন ও গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন।

১৯তম বার্ষিক আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী এবং বেসিসের সদ্য-সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জব্বার। বৈঠকে উপস্থিত বেসিস সদস্যবৃন্দ সংগঠনের অগ্রযাত্রায় মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের অসামন্য অবদানের জন্যে তাকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান।

বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘দেশে ও বিদেশে বেসিস যে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে তার সাফল্যের সবটুকুই সদস্য প্রতিষ্ঠানসমূহের সহযোগিতার ফসল।’ ভবিষ্যতে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রযাত্রায় বেসিস ঐক্যবদ্ধভাবে অবদান রেখে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

বার্ষিক আলোচনায় বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, সরকারি-বেসরকারি সব তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতিতে বেসিসের অবদান অপরিসীম। তিনি বলেন, আগামী ৩১ মার্চ তারিখে ২০১৮-২০ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের আগেই সফলভাবে বেসিস সফটএক্সপো ২০১৮ আয়োজন করতে চায় বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদ। পাশাপাশি, এসটিপি-ওয়ান প্রকল্পের বিদ্যমান সমস্যা সমাধান ও সদস্যদের কল্যাণে চলমান তৎপরতা জোরদার করার কথাও জানান বেসিস সভাপতি। বলেন, সদস্যরাই বেসিসের প্রকৃত কর্ণধার, তাই বেসিসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সদস্যদের কল্যাণ সাধন।

সভায় বেসিস সচিবালয় শক্তিশালীকরণ, সরকারি কাজে বাংলাদেশি সফটওয়্যার কোম্পানির অগ্রাধিকার নিশ্চিতকরণ, ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য নগদ প্রণোদনা, বেসিস সফটএক্সপোসহ বেসিস এর ইতোপূর্বে গৃহিত কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বেসিসকে আরো জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান বেসিস সদস্যরা।

বেসিসের ১৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) আরো উপস্থিত ছিলেন বেসিসের প্রাক্তন সভাপতি এ তৌহিদ, হাবিবুল্লাহ এন করিম, মাহবুব জামান, শামীম আহসান, বেসিসের সাবেক পরিচালকবৃন্দ, স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানবৃন্দ, কো-চেয়ারম্যানবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.