বিসিএসের ৩ দশক পূর্তিতে মিলনমেলা

২৭ জানুয়ারি শুক্রবার , দেশের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ ‘৩ দশক উদযাপন এবং আইসিটি ফ্যামিলি ডে’এর আয়োজন করে।

নারায়ণগঞ্জের ভূলতা, রুপগঞ্জের সুবর্ণগ্রাম অ্যামিউজমেন্ট পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টসে এই উদযাপনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

শুক্রবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিসিএস এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, সাবেক সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং মহাসচিবদের উত্তরীয় এবং সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে আইসিটি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমাদের দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বাণিজ্যিক সংগঠন বিসিএস তার তিনটি দশক পার করেছে এটি বিশাল অর্জন। কম্পিউটার সমিতি দেশের প্রথম বাণিজ্যিক সংগঠন যারা তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছে। বিসিএস ৩০ বছর উদযাপন করেছে সেটিও একটি অসাধারণ বিষয়। বিসিএস ১৯৮৭ সাল থেকে তথ্যপ্রযুক্তিতে পথ প্রদর্শন করে আসছে। সে হিসেবে বিসিএস সবসময় পথ প্রদর্শক। প্রথম সংগঠন হিসেবে এই সংগঠনের দায়িত্বও অনেক ছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের যত মাইলফলক রয়েছে, প্রতিটি অর্জনের পিছনে বিসিএস এর অবদান রয়েছে। বিসিএস নিঃসন্দেহে একটি বিশাল প্লাটফর্ম। বিসিএস এর জন্ম থেকে শুরু করে ডিজিটাল বাংলাদেশ পর্যন্ত দেশের প্রতিটি অর্জনে কম্পিউটার সমিতি সম্পৃক্ত রয়েছে। গ্রামে গ্রামে মানুষের হাতে কম্পিউটার পৌঁছে দিতে এই সংগঠনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।’

বিসিএস সভাপতি আলী আশফাক বলেন, ‘বিসিএস এর ৩ দশক পূর্তিতে এই সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল সদস্য, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সকল মানুষের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। বিসিএস তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব প্রদানকারী সংগঠন। এই সংগঠনের প্রতি মানুষের আশা ভরসা পূরণ করতে আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বিসিএস সারাদেশে নিজস্ব কার্যক্রম পরিচালিত করে যাচ্ছে। মানুষের হাতে হাতে কম্পিউটার পৌঁছে দিতেও বিসিএস এর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিসিএস এর মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিসিএস এমন একটি সংগঠনের নাম, যে সংগঠনটি সবসময় আইসিটি খাতকে সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। সরকারের পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারাশিপ বাস্তবায়নে বিসিএস একনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। কম্পিউটারে ভ্যাট ট্যাক্স মওকুফ, কম্পিউটারের মূল্যকে সহজলভ্য করে মানুষের হাতে হাতে এই যুগান্তকারী ডিভাইসটি পৌঁছে দেয়াতে আজ আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখতে পেরেছি। এর পেছনে বিসিএস এর সম্পৃক্ততা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। তথ্যপ্রযুক্তিতে বিসিএস ই একমাত্র সংগঠন যাদের সারা দেশে ৮টি শাখা রয়েছে।

সারাদেশ থেকে বিসিএস সদস্য, সদস্যদের পরিবারের সদস্য, প্রাক্তন এবং বর্তমান নেতৃবৃন্দসহ দেশের আইসিটি খাতের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা আইসিটি ফ্যামিলিডে তে উপস্থিত ছিলেন।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.