বিপিওতে আমাদের প্রচুর দক্ষ জনবল দরকার- আহমাদুল হক


প্রশ্ন: বিপিও কি?
আহমাদুল হক ববি: আমাদের দেশে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে তিনটি অ্যাসোসিয়েশন কাজ করছে। সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)। হার্ডওয়্যার নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। আর বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) কাজ করছে সার্ভিস নিয়ে। যেকোন অফিসের ব্যাক অফিস ও টেকনিক্যাল সাপোর্ট আমরা দিচ্ছি। ‘বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং’ নামটা বিশ্বজুড়ে খুব পরিচিত হলেও আমাদের এ অঞ্চলে, বিশেষ করে ভারতে এটি ‘আইটি এনাবল্ড সার্ভিসেস’ বা আইটিইএস নামে বেশি পরিচিত। এটির আরো দুটো প্রচলিত নাম হচ্ছে ‘ব্যাক অফিস প্রসেসিং’ এবং ‘বিজনেস প্রসেস ম্যানেজমেন্ট’। তবে নাম যাই হোক, কাজ কিন্তু একই।

প্রশ্ন: দ্বিতীয় বিপিও সামিটের ফোকাস কি?
আহমাদুল হক ববি: গত সামিটের ঠিক ৬ মাসের মধ্যেই আমরা দ্বিতীয় বিপিও সামিট করতে যাচ্ছি। আগামীতে আমরা এই সামিট ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে করার পরিকল্পনা করছি। এই সময়ে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই আমাদের সাথে কাজের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। সাধারনত আমরা একজন কাষ্টমারের সাথে প্রায় এক থেকে দেড় বছর ধরে আলাপ আলোচনার পরে কাজ শুরু করি। গত সামিট থেকে আমরা লক্ষ্য নির্ধারন করেছি। আমাদের এবারের ফোকাস হলো সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক। আমরা এবারের সামিটে এজন্য সরকার কি কি কাজ বাক্যকে দিয়ে করাতে পারে সেগুলো প্রদর্শন করবো। এছাড়া আমরা ব্যাংকারদের নিয়ে বসবো। গতবারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিরা বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন, গ্লোবাল বিপিও কি অবস্থায় আছে। সিকিউরিটির পাশাপাশি ব্যাংকিং এর আউটসোসিংয়ের জন্য কি দরকার সেটাও আমরা সামিটে উপস্থাপন করবো। এবারের আয়োজনে বিশে^র একজন খ্যাতনামা সিকিউরিটি এক্সপার্ট অংশগ্রহন করবেন বলে আমরা আশা করছি। এরকম ভাবে ইনসুরেন্স কোম্পানিকেও আমরা বড় পরিসরে সেবা দিতে চাই। এবার ভারতের ন্যাসকমের থেকেও প্রতিনিধি দল আসবে।
আমরা কিছুদিন আগে ফিলিপিনে গিয়েছিলাম। ফিলিপিনের আইবিপ্যাকের প্রেসিডেন্টকে আমরা আমন্ত্রন জানিয়েছি এবারের সামিটে অংশ নেওয়ার জন্য। ফিলিপিনের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখারও আছে। আমরা মূলত ফিলিপিনে গিয়েছিলাম ইনভেষ্টমেন্টের জন্য। ওদের ভালো ইন্টারেষ্ট আছে বাংলাদেশের প্রতি। আমরা শ্রীলংকার সাথে কাজ করছি। শ্রীলংঙ্কা থেকেও এক্সপার্ট আসবে এবারের সামিটে। এছাড়া মালয়েশিয়া থেকেও এবার এক্সপার্ট আসবে। এবারের সম্মেলনে আমরা অনেককেই আনার চেষ্টা করছি।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে বিপিও এর সম্ভাবনা কতটুকু?
আহমাদুল হক ববি: আমাদের দেশে নব্বইয়ের দশকে কল সেন্টার এবং ডাটা এন্ট্রি কাজের মধ্য দিয়ে বিপিও-র ধারাটির সূচনা ঘটে। প্রথমে মোটামুটি ছোট আকারে শুরু হযেছিল, কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এখন এটি বেশ বড় আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে গত কয়েক বছরে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটির পৃষ্ঠপোষকতা করার কারণে এ ব্যাপারে নতুন একটি জাগরণ তৈরী হয়েছে। নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান এ ব্যাপারে আগ্রহী হয়েছে। আরেকটা বড় ব্যাপার হচ্ছে আন্তর্জাতিকভাবে বিপিও-র অন্যতম সফল দেশ ভারত হচ্ছে আমাদের নিকটতম প্রতিবেশি। তাদের সফলতার দৃষ্টান্তও আমাদের অনেক উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করছে। সব মিলিয়ে বলতে পারেন, বাংলাদেশে বিপিও নিয়ে এক ধরনের জাগরণের সৃষ্টি হয়েছে। ভারতে ২ মিলিয়ন ছেলেমেয়ে এ খাতে কাজ করে ৮০ বিলিয়ন ডলার আয় করছে। ভারত যদি ২ মিলিয়ন কর্মসংস্থান করতে পারে আমরা কেন ২ লক্ষ চাকরির সুযোগ দিতে পারবো না। ফিলিপিন ২০০৯ সালে ২ বিলিয়ন আয় করতো আর এখন ১৮ বিলিয়ন। আমরা ২০০৯ সাল থেকে ২০১৬ সালে ৩০ মিলিয়ন আয় করছি। এজন্যই ফিলিপিনের কাছ থেকে শেখার আছে। শ্রীলংঙ্কা ২ বিলিয়ন ডলার শুধু ফাইন্যান্স এবং ব্যাক অফিসের কাজ করে আয় করে। শ্রীলংঙ্কায় ৫০ হাজার এসএসিএ গ্রাজুয়েট আছে। সবকিছু মিলে বাংলাদেশের এখনো কাজের যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। আমাদের জনগোষ্ঠির প্রায় ৬০ শতাংশের বয়স ২৫ বছরের নিচে। এই জনগোষ্ঠি আমাদের একটা বড় রিসোর্স।

প্রশ্ন: সামনের দিনগুলোতে বিপিও এর কোন ধরনের কাজের সম্ভাবনা আছে এবং আপনাদের গ্রাহক কারা?
আহমাদুল হক ববি: আমাদের গ্রাহক ঘুরে ফিরে সবাই। ডমেষ্টিক মার্কেটে আমরা সবচেয়ে বেশি কাজ করছি টেলকো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর। এছাড়াও ব্যাংকিং, ইনসুরেন্স, হাসপাতাল, পাবলিশিং, হোটেল এর বিভিন্ন ব্যাক অফিস সেবা এখন আমরা দিচ্ছি। সবারই কমবেশি ব্যাক অফিস সেবার প্রয়োজন হয়। যদিও আমাদের দেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান এ জন্য অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করে। আর এর ফলে তাদের খরচ অনেক বেড়ে যায়।
ব্যাংকের প্রধান কাজ হলো নতুন কোন সার্ভিস বা সেবা তৈরী করা এবং সেটি সম্পর্কে গ্রাহকদের অবহিত করা। এক্ষেত্রে এসব কাজ ব্যাংক আমাদের দিয়ে করাতে পারে। তাহলে ব্যাংক পরিচালনা যেমন সহজ হবে তেমনি কম জনবলে অধিক কাজ করা সম্ভব হবে। আমরা ব্যাংকার না। আমরা লোন দিতে পারবো না। আমরা লোন গ্রহীতার সব কাগজ চেক করে দিতে পারবো। আর ব্যাংকের লোন অ্যাডমিন তখন লোনটি পাওয়ার জন্য উপযুক্ত হলে দিতে পারবেন। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আমরা ব্যাংকের ব্যাক অফিস কাজটা করে দিচ্ছি। আমরা এসব কাজ প্রতিনিয়ত করাতে দক্ষ হয়ে যাই। আর এর ফলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। ব্যাংকের মত আমরা এরকম সব প্রতিষ্ঠানের ব্যাক অফিসের কাজই করে থাকি। বিপিও-র পরিধি কিন্তু বিশাল, কাজেই একটা-দুটো কাজের কথা বলা কঠিন। বিপিওতে মোবাইল ডিভাইসকে কেন্দ্র করে আরেকটি বড় ধরনের সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংক এবং বড় কোম্পানিগুলো মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা প্রদান শুরু করেছে। এসব কাজে দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন হবে, যা বিপিওর মাধ্যমে জোগান দেয়া যেতে পারে। এছাড়া বিগ ডাটা অ্যানালাইসিস, সিটি থ্রিডি মডেলিংসহ জিও লোকেশনভিত্তিক নানা কাজে বিপিও-র প্রচুর সম্ভাবনা আছে। আমরা যদি সুনির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনার আওতায় এ নিয়ে কাজ করতে পারি তাহলে অল্প ক-দিনে বাংলাদেশকে বিপিও-র বিশ^বাজারে আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

প্রশ্ন: এবারের সামিটে নতুন কি থাকছে?
আহমাদুল হক ববি: এবারের সামিটে আমরা চেষ্টা করবো আমাদের পরিবার, বন্ধুবান্ধব সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মাঝে বিপিও নিয়ে আলোচনা করতে। আমরা এই ক্ষেত্র সম্পর্কে বোঝানোর চেষ্টা করবো। বিপিও এর চাকরি কেমন, এখনো ভবিষৎ কতটুকু ভালো, কাজের পরিবেশ কেমন এসব বিষয় নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করা হবে। এবার ৭ টি কারিগরি সেমিনারের আয়োজন করা হবে। এসব সেমিনারে ভারত, ভিয়েতনাম ও শ্রীলংঙ্কার স্থানীয় বাজার সম্প্রসারনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সরকারি ও আর্থিক খাতের আউটসোর্সিংয়ের চ্যালেঞ্জ সমূহ চিহ্নিত করা হবে। এর পাশাপাশি ডেটার নিরাপত্তা ও প্রাইভেসি নিয়েও সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এবারের সামিটের ফোকাস এরিয়া হিসাবে বিগ ডেটাকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রশ্ন: ২০২১ সাল নাগাদ ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের টার্গেট বিপিও খাত থেকে। এর সম্ভাবনা ও সংকট!
আহমাদুল হক ববি: আমরা প্রায় দুই লক্ষ ছেলে মেয়েদের ২০২১ সাল নাগাদ চাকরি দেওয়ার পরিকল্পনা করছি। ৪০ থেকে ৬০ হাজার চাকরির সুযোগ হবে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে। আমাদের সব মন্ত্রণালয়ের সিটিজেন সার্ভিস আছে। আর এসব সার্ভিস দেওয়ার জন্য জনবলের প্রয়োজন। সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি প্রতিষ্ঠানই এখন ব্যাক অফিসের কাজ আউটসোর্স করছে। সরকার এখানে শুধু কাজই দিচ্ছে ব্যাপরটা কিন্তু তা নয়, কাজের পাশাপাশি এটা কিন্তু একটা ইন্ডাষ্ট্রি তৈরী করছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রথম সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যতম। এসব প্রতিষ্ঠানের সেবাগুলোকে আউটসোর্স করলে জনগন সেবা দ্রুত সেবা পাওয়ার পাশাপাশি নতুন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ হচ্ছে।
এছাড়াও আমরা ব্যাংকিং সেক্টরের কাজের জন্য ৩০ হাজার চাকরির সুযোগ দিতে পারবো ২০২১ সাল নাগাদ। আমরা এবারের সম্মেলনে সামিটে সরকার এবং ব্যাংকের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা গ্লোবাল মার্কেটের যে কাজ পাবো তাতে আরো ৩০ হাজার তরুণের কর্মসংস্থান হবে। দুই লক্ষ ছেলেমেয়ে কাজ করলে আমাদের ১ মিলিয়ন জনবল তৈরী করতে হবে।

প্রশ্ন: প্রথম বিপিও সম্মেলন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কেমন সাড়া পেলেছে?
আহমাদুল হক ববি: আমরা যখন সরকারী কাজে ভালো করতে পারবো তখন আমরা দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে কাজ নিতে পারবো। তার কারণ আমরা যখন বিদেশী প্রতিষ্টান গুলোকে বলতে পারবো আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাজ করছি। তখন ওরা আমাদের কাজ দিতে বেশি আগ্রহী হবে। এক্ষেত্রে আমাদের মেম্বারদের প্রোফাইল দেখে যে কেউ সহজেই কাজ দিতে আকৃষ্ট হবে। আমরা চাই আন্তার্জাতিক বাজারে যাওয়ার আগেই নিজেদের কাজ দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে।

প্রশ্ন: লোকাল বিপিও সেক্টরের ভবিষৎ কেমন?
আহমাদুল হক ববি: গত ৩ বছর ধরে আমরা লোকাল মার্কেটের কাজ পাচ্ছি। এর আগে টেলকোগুলো নিজেরাই কলসেন্টারের কাজ করতো। কিন্তু ব্যয়বহুল হওয়াতে এখন টেলকোগুলোর কাজ আমরা করছি। আমাদের ইন্ডাস্ট্র্রি একবারেই নতুন। আমাদের আগের কোন অভিজ্ঞতা নাই। এর ফলে আগে আমরা গ্রাহকদের কাছে কাজ চাইলে তারা আমাদের কাজ দিতে ভরসা পেত না। তবে এখন অবস্থা পাল্টেছে। অনেক সময় লাগলেও শুরুতে টেলকোরা আমাদের প্রথম কাজ দিয়েছে। দেশের প্রতিটি টেলকোই এখন আমাদের বাক্য মেম্বারদের কাজ দিচ্ছে। টেলকো ছাড়াও কনজুমার প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের গ্রাহক।

প্রশ্ন: অগমেডিক্স কি ধরনের কাজ করছে? এখানে তরুণদের কাজের সুযোগ কতটুকু?
আহমাদুল হক ববি: আমরা অগমেডিক্সের অপারেশন বাংলাদেশে শুরু করেছি। এখানে আমাদের প্রচুর দক্ষ জনবল দরকার। অগমেডিক্স মূলত কাজ করে হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট নিয়ে। এখানে আমাদের প্রায় ৬ হাজার দক্ষ জনবলের প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রানসিসকো ভিত্তিক এ কোম্পানিটি ভারত ও বাংলাদেশে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) হিসেবে ব্যবসা স্থাপন ও পরিচালনা করছে। কোম্পানিটি দ্রুত বিশ^ব্যাপি তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করছে। তথ্য ও যোগগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং হাই টেক পার্ক অথরিটির সহযোগিতায় পর্যায়ক্রমে প্রায় ৬ হাজার নতুন কর্মী নিয়োগ দিবে অগমেডিক্স বাংলাদেশ। আমরা বাংলাদেশ থেকে দেশের গন্ডি পেরিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা দিয়ে যাচ্ছি এবং ভালো সাড়া পাচ্ছি।

প্রশ্ন: বিপিও খাতে এখন কি ধরনের সমস্যা আছে?
আহমাদুল হক ববি: আমরা এখন যেসব ছেলেমেয়েদের পাচ্ছি তাদের শিক্ষাগত অনেক ত্রুটি আছে। অনেক শিক্ষার্থীই ভালো করে কথা বলতে পারে না, কম্পিউটারে দক্ষ না। আগে ১০০ জনকে নিলে একজন টিকতো। আর এখন ৩০ জনে একজন ভালো কাজ করছে। এখন সরকার ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও এডিবির অর্থায়ানে বিভিন্ন ট্রেনিং প্রদান করছে। আমরা এসব দক্ষ মানুষদের নিয়ে কাজ শুরু করেছি। সরকারের এলআইসিটি প্রোগামের শিক্ষার্থীরাও আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজ করছে।


আহমাদুল হক
সভাপতি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং