বাংলালিংক ইনোভেটরস বিজয়ী টিম ”কোয়েজার” 

দেশের অন্যতম শীর্ষ ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক আয়োজিত প্রযুক্তি ভিত্তিক ব্যবসায়ীক পরিকল্পনার প্রতিযোগিতা “বাংলালিংক ইনোভেটরস” এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীতে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার সমাপ্তি এবং বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এম.পি। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের সিইও এরিক অস এবং বাংলাদেশ জাতীয় টেস্ট ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

প্রতিযোগিতায় প্রায় ছয় হাজার তরুণ-তরুণী রেজিস্ট্রেশন করে এবং পরবর্তীতে প্রায় আড়াই হাজার তরুণ-তরুণী বিনোদন, লাইফস্টাইল, শিক্ষা, ক্লাউড কমপিউটিং ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে তাদের ডিজিটাল পরিকল্পনা সাবমিট করে। গ্রুমিং, বুট ক্যাম্প সেশন, ওয়ার্কশপ, প্রেজেন্টেশন ও অন্যান্য আরও কার্যক্রমের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে বাছাইকৃত প্রতিভাবান প্রতিযোগীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে “বাংলালিংক ইনোভেটর”। প্রতিযোগিতার প্রতিটি স্তরে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে বিজয়ী হন টিম কোয়েজার দলের সৈয়দা ওয়াহি, আবির তারিক হৃদয়, আরাফ সানজিদ খান ও এম. এ. মাসুদ আলিম। পুরস্কার হিসাবে বিজয়ী দলের প্রত্যেক সদস্য পান একটি করে ম্যাকবুক এয়ার, প্রথম রানার-আপ দলের প্রত্যেক সদস্য পান একটি করে ল্যাপটপ এবং দ্বিতীয় রানার-আপ দলের প্রত্যেক সদস্য পান একটি করে স্মার্টওয়াচ। এছাড়াও প্রথম পাঁচটি দলের প্রত্যেক সদস্য পাচ্ছেন বাংলালিংকে ইন্টার্নশিপের সুযোগ।

এছাড়াও প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত বিজয়ী দল, প্রথম রানার-আপ দল এবং দ্বিতীয় রানার-আপ দল পাচ্ছে বাংলালিংকের “স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসিস্টেন্ট প্রোগ্রাম”-এর অ্যাসেসমেন্ট সেন্টারে সরাসরি যোগদানের সুযোগ।

তারানা হালিম এম.পি বলেন, “দেশের নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নিয়ে যাবার লক্ষ্যে “বাংলালিংক ইনোভেটরস” প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে বাংলালিংক যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা সত্যিই প্রশংসনীয় | আমি নিশ্চিত আমাদের দেশের এই উদ্যমী তরুণরাই পারবে বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে, তারাই দিবে আগামীর নেতৃত্ব| এই ধরনের প্রতিযোগিতা তাদের অগ্রযাত্রায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”

 বাংলালিংকের সিইও এরিক অস বলেন,“ তরুণরা ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি। তরুণদের অভিনব বিভিন্ন পরিকল্পনা সঠিকভাবে  বাস্তবায়ন করা গেলে তা সমাজের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। প্রযুক্তির মাধ্যমে জীবনযাত্রার পরিবর্তনে বিশ্বাসী একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলালিংক ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিনব প্রতিযোগিতার আয়োজন করবো। আমি বিশ্বাস করি এই তরুনরা বাংলালিংক তথা দেশকে সামনের দিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

সর্বমোট ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে “বাংলালিংক ইনোভেটরস”–এর রোডশো এবং ক্যাম্পাস ব্রান্ডিং অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশ থেকে ২৫০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ছয় হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রীরা এই অভিনব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

-গোলাম দাস্তগীর তৌহিদ

Please Share This Post.