প্রিমিয়াম স্মার্টফোন হিসেবে শীর্ষে অপো

আন্তর্জাতিক মার্কেট গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট-এর গবেষণায় লোয়ার প্রিমিয়াম সেগমেন্টে শীর্ষে এসেছে অপো।

বাজারে ব্যাপক প্রতিযোগিতার মধ্যেও অপো নিজেকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে প্রমাণ করেছে। এছাড়াও, ৯৫% এরও বেশি ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস চীনে বিক্রি হয়। এটা পরিস্কার যে, বিশ্বব্যাপি অপো এর ক্রমবর্ধমান শেয়ার এবং তরুণদের জন্য আরও উদ্ভাবনী স্মার্টফোনের চাহিদা বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

কাউন্টারপয়েন্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, হাই-এন্ড শিপমেন্টে চমৎকার পারফরমেন্সসহ ২০১৮ সালে দ্বিতীয় কোয়ার্টারে বিশ্বব্যাপি হাই-এন্ড স্মার্টফোন বাজার বেড়েছে ৭%। অপো-এর সামগ্রিক প্রিমিয়াম স্মার্টফোন মার্কেট ২৪%, ৪০০-৬০০ ডলার মূল্যের সেগমেন্টে ২২% মার্কেট শেয়ার নিয়ে অপো-এর অবস্থান প্রথম এবং তারপর রয়েছে অ্যাপল, স্যামসাং, হুয়াওয়ে, শাওমি এবং অন্যান্যাগুলো।

বিশ্বের বৃহত্তম, ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ চীন হাই-এন্ড স্মার্টফোন মার্কেটের মধ্যে অ্যাপল-এর অবস্থান প্রথম এবং অপো দ্বিতীয় অবস্থানে। চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ফোনগুলোকে ফ্ল্যাগশিপ পণ্যে উন্নীত করছে এবং এই দিক থেকে অপো এগিয়ে রয়েছে। সম্প্রতি উন্মোচিত অপো ফাইন্ড এক্স গ্রাহক ও গণমাধ্যমের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে।

শুধু ২০১৮ সালে, অপো বেশ কিছু উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে যেমন- প্যানোরামিক আর্ক স্ক্রিন, এ.আই-ইনহ্যান্স্ড থ্রিডি ক্যামেরা, সুপার VOOC ফ্ল্যাশ চার্জিং, টিওএফ এন্ড থ্রিডি স্টাকচার্ড লাইট প্রযুক্তি। এ.আই নিয়ে অপো স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণভাবে ৫জি স্মার্টফোনগুলোতে ৫জি ব্যবহারের সফল পরীক্ষাও করেছে। অপো-এর দ্রুত অগ্রগতির পিছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে।

বাজারজাতকরণ ও রিটেইলে অপো, তরুণ গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। অপো ৩০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চল এবং ৪ লক্ষেরও বেশি স্টোরে প্রবেশ করেছে।

এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড্যামন ইয়াং বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে, পণ্য, প্রযুক্তি এবং বাজারজাতকরণ ছাড়াও অপো’র প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসমূহ নিয়ে আসা এবং গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো। এই বিশ্বাসের কারণেই এমন সাফল্য আসছে এবং আগামীতেও আমরা এটি অব্যাহত রাখবো’।

সিনিউজভয়েস//ডেস্ক/
Please Share This Post.