‘দেশের শীর্ষ সম্ভাবনাময় খাত ই-কমার্স’

 

দেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর মধ্যে ই-কমার্স শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ই-কমার্স খাতের অবস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশ অন্যতম। লজিস্টিক, পেমেন্ট ও বিনিয়োগ নিয়ে পদক্ষেপ নিলেই বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে।

আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও এশিয়ার ই-কমার্স খাতের ওপর পরিচালিত জরিপের খসড়া তুলে ধরার জন্য বেসিস আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে আলোচকরা এই তথ্য জানিয়েছেন। ২২ মার্চ বুধবার, বেসিস মিলনায়তনে আয়োজিত এই বৈঠকের সহযোগিতায় ছিলো ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। জরিপটি পরিচালনায় আর্থিক সহায়তা করেছে ইউএসএআইডি।

দুটি পর্বে অনুষ্ঠিত এই গোলটেবিল বৈঠকে প্রথমে বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় অংশ নেন বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, বিজনেস ফর ই-ট্রেড ডেভেলপমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক কেটি সুমাইনেন, ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদ তমাল, মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মাদ কামাল, ইস্টার্ণ ব্যাংক লিমিটেডের হেড অব পেমেন্ট সল্যুউশন তানভীর দাউদ, ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের হেড অব ই-বিজনেস মো. কামরুজ্জামান, দ্য সিটি ব্যাংকের হেড অব ই-কমার্স নওশাবা দূররানী, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের হেড অব ডিজিটাল বিজনেস অ্যান্ড ই-কমার্স সিরাজ সিদ্দিকী প্রমুখ।

প্রথম পর্ব থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাবনাগুলো নিয়ে দ্বিতীয় পর্বে পলিসি স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আলোচনা করেন বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, বিজনেস ফর ই-ট্রেড ডেভেলপমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক কেটি সুমাইনেন, আইসিটি বিভাগের যুগ্ম সচিব খায়রুল আমীন, উপসচিব মনিরুল ইসলাম, সহকারি প্রধান আকতার হোসেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক সৈয়দ এমদাদুল হক, সহকারি পরিচালক শাহরিয়ার আল হাসান, বিসিসির ব্যবস্থাপক গোলাম সারওয়ার প্রমুখ।

আগামী মাসে সুইজারল্যান্ডে জাতিসংঘ আয়োজিত ই-কমার্স সপ্তাহ অনুষ্ঠানে এই গোলটেবিল বৈঠকের প্রস্তাবনাগুলো তুলে হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.