দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম হাব হবে ডিমানি : আরেফ আর বশির

একটা সময় ছিল, লেনদেন কেনাকাটাই মানে ছিল একটা ঝক্কি। ব্যাংকে লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা তোলা, টাকার ব্যাগ ক্যারী করা, জমা দেওয়া আবার জ্যাম আর ধুলোবালি ঠেলে প্রতিনিয়ত দোকানে যাওয়া, দরদাম করা – এরকম আরো কতো ঝামেলা। কিন্তু সেদিন এখন আর নেই। কেনাকাটা আর মিনিটের মধ্যে দাম চুকানো, আত্নীয়স্বনকে টাকা পাঠানো, বাসা বাড়ির বিভিন্ন সেবা সংক্রান্ত বিল পরিশোধ  – এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে। ডিজিটাল পেমেন্ট আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করেছে। বিরক্তির জীবনধারার পরিবর্তে আনন্দের উপলক্ষ্য করার সুযোগ পাচ্ছি আমরা।

ডিমানি সকল ডিজিটাল পেমেন্টের প্ল্যাটফর্ম ও লাইফস্টাইল অ্যাপ। এ প্ল্যাটফর্ম ইকোসিস্টেম নির্মাণে কাজ করবে কেননা ডিমানি বিশ্বাস করে, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একসাথে কাজ করার মাধ্যমে ‘ক্যাশ ইকোনোমি’ থেকে ‘ডিজিটাল ইকোনোমি’তে রূপান্তরের বাধা দূর করা সম্ভব। আর ডিমানি ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন মেটাতে নিরাপত্তা এবং নানা পরিসরের সেবা সহজলভ্য করার মাধ্যমে ডিজিটাল রূপান্তরের ইতিবাচক অবদান রাখতে চায়।

সম্প্রতি সি-নিউজ থেকে আরেফ আর বশির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কো-ফাউন্ডার ডিমানি বাংলাদেশ লিমিটেড এর সাথে কথা বলেন গোলাম দাস্তগীর তৌহিদ। ডিমানির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আরাফ বশির এর সাথে কথোপকথন আমাদের পাঠকের জন্য নিচে তুলে ধরা হলো :-

সি-নিউজ : অ্যাপাক বিজনেস হেডলাইনস ম্যাগাজিন তাদের ‘২০১৯ সালের সবচেয়ে সুবিধাজনক সম্ভাব্য ১০ ওয়ালেট’- এর তালিকায় ডিমানি’কে তালিকাভুক্ত করেছে। এ নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা কী? এবং এ তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে তারা কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করেছে?

আরেফ আর বশির: অ্যাপাক বিজনেস হেডলাইনস ম্যাগাজিনের ‘২০১৯ সালের সবচেয়ে সুবিধাজনক সম্ভাব্য ১০ ওয়ালেট’- এর তালিকায় থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত এবং একইসাথে সম্মানিত। সেবার পরিধি নিয়ে জ্ঞান, বিপণন কৌশল এবং অভিনব পণ্যের ওপর ভিত্তি করে যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানকে নিয়েই অ্যাপাক বিজনেস হেডলাইনস এ তালিকাটি তৈরি করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তরের যাত্রায় ফিনটেক ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় ভূমিকার জন্য তারা ডিমানি’কে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ তালিকায় তালিকাভুক্ত করেছে। এক্ষেত্রে, বড় ভূমিকা রেখেছে ডিমানির উদ্ভাবনী অনুশীলন এবং সব অংশীদার ও অংশীজনদের একসাথে করে যৌথ সেবার উন্মোচন, যা ডিজিটাল ইকোসিস্টেম নির্মাণে প্রযুক্তির কৌশলগত ব্যবহারের ফলেই সম্ভব হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়া থেকে শুধু ডিমানিই এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

সি-নিউজ : মোবাইল আর্থিক সেবা নিয়ে আপনি কেনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নিলেন? ডিমানি কি বাংলাদেশ ব্যাংকের লাইসেন্স পেয়েছে? দেশের বর্তমান মোবাইল আর্থিক সেবা ও এ সেবাখাত নিয়ে আপনার কী মনে হয়?

আরেফ আর বশির : মোবাইলে আর্থিক সেবা (এমএফএস) লাইসেন্স এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি)/ ই-ওয়ালেট সহ দেশের ডিজিটাল আর্থিক সেবাখাত বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন লাইসেন্স দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এর সবগুলোরই কিছু সীমাবদ্ধতা ও নীতিমালা রয়েছে। ডিমানি বাংলাদেশ ব্যাংকের পিএসপি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান। পিএসপি লাইসেন্স মোবাইলের মাধ্যমে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে তার নিবন্ধন ও সেবাগ্রহণকে সমর্থন করে।

ডিমানি প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিকদের ডিজিটাল মাধ্যমে লাইফস্টাইল ও আর্থিক সেবা প্রদান, নগদ অর্থের ঝামেলা দূরীকরণ, ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগ বাড়ানো ও এর খরচ কমানো, সহজে সেবা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সেবা গ্রহণে গ্রাহকের সমস্যাগুলোর সমাধান করা।

বাংলাদেশের আর্থিক সেবাখাতে বৈচিত্র্য নিয়ে আসার অনেক সুযোগ রয়েছে এ ধারণা থেকেই আমরা ডিমানি নিয়ে আসার পরিকল্পনা করি। সরকারি নানা নীতিমালা ও প্রযুক্তির অগ্রগতি নগদ অর্থ থেকে ডিজিটাল যাত্রাকে ত্বরাণ্বিত করলেও কিছু প্রতিবন্ধকতার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও নগদ অর্থভিত্তিক অর্থনীতি। নগদ অর্থ পরিশোধের ঝামেলা এবং নগদ অর্থ থেকে ডিজিটাল অর্থে রূপান্তরে প্রতিবন্ধকতা দেশের প্রবৃদ্ধির পথে বাধা সৃষ্টি করছে। আর এ প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখার লক্ষ্যেই ডিমানির পথচলা শুরু।

শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরিতে আমাদের সব অংশীদারদের একসাথে কাজ করার পাশাপাশি নীতিমালা ও আইনি কাঠামো, ব্যবসা মডেল, এন্টারপ্রাইজ সল্যুশন এবং আন্তর্জাতিক মান বজায়ে নীতিমালা নিয়েও কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে, ডিমানি শুধুমাত্র ওয়ালেট বা অ্যাপই নয় যা শুধু গ্রাহকের প্রতিদিনকার ডিজিটাল লাইফস্টাইল ও পেমেন্ট প্রয়োজন মেটাবে। এর বাইরেও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা ডিজিটাল ইকোসিস্টেম নির্মাণে কাজ করছি যেখানে ডিমানি অংশীদার, অংশীজন ও গ্রাহকদের একটি নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসবে।

এ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নতুন ডিজিটাল ওয়ালেট সেবা ‘ডাক টাকা’ নিয়ে আসতে ডিমানি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের (বিপিও) সাথে অংশীদারিত্ব করেছে। যা একদম প্রত্যন্ত অঞ্চলের ব্যাংকিং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং চ্যানেল এবং ডিজিটাল ডাক সেবা ব্যবহারের সুযোগ করে দিবে।

এছাড়াও, ডিমানি দেশের প্রথম ডিজিটাল ইসলামি ওয়ালেট উন্মোচনে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যা গ্রাহকের শরীয়াহ ভিত্তিক আর্থিক সেবার প্রয়োজন মেটাবে।

ডিমানি বিশ্বাস করে এর মূল প্রতিযোগিতা ‘নগদ অর্থ’র সাথে। এখনও আমাদের দেশে পরিপূর্ণভাবে ডিজিটাল পেমেন্ট ও আর্থিক সেবার প্রয়োজন রয়েছে। এবং এ ধরনের পণ্য ও সেবার মান তৈরি ও প্রস্তাবের প্রয়োজন রয়েছে যার মাধ্যমে গ্রাহকরা নগদ অর্থ থেকে ডিজিটাল অর্থের দিকে উৎসাহিত হবে। আর এটা নিয়েই প্রতিদিন কাজ করছে ডিমানি।

সি-নিউজ : গ্রাহকদের কেনো ডিমানি ব্যবহার করা উচিৎ?

আরেফ আর বশির : ডিমানি একটি ডিজিটাল ওয়ালেট, যা একটি অ্যাপের মাধ্যমেই পেমেন্ট, লাইফস্টাইল ও আর্থিক সেবা প্রদান করে। গ্রাহকরা ঝামেলাহীন ও সুরক্ষিত উপায়ে খুব সহজেই তাদের প্রতিদিনকার সকল ডিজিটাল প্রয়োজন মেটাতে পারবে ডিমানির মাধ্যমে।

ডিমানি অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে তাদের স্বজন ও বন্ধুদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করতে পারবেন ও টাকা পাঠাতে পারবেন। গ্রাহকরা সব মোবাইল অপারেটরে মোবাইল টপ আপ করতে পারবেন, ইউটিলিটি, ইন্টারনেট ও ক্রেডিট কার্ডের বিল দিতে পারবেন এবং ভেহিকেল ট্র্যাকিং সেবা সহ ক্লিনিং, ইলেক্ট্রিক ও পেইন্টিং এর মতো অন-ডিমান্ড সেবাও গ্রহণ করতে পারবেন।

গ্রাহকরা ই-কমার্স পোর্টাল, লাইফস্টাইল অ্যাপ এবং ডিমানি অ্যাপে থাকা অন্যান্য মার্চেন্ট থেকে অনলাইনে কেনাকাটা করতে পারবেন। গ্রাহকরা প্রয়োজনে মার্চেন্টের ফিজ্যিকাল স্টোরে গিয়ে ডিমানি অ্যাপ দিয়ে পণ্যের দাম পরিশোধ করতে পারবেন। ডিমানির মাধ্যমে ৪ হাজারের বেশি অনলাইন ও অফলাইন স্টোরে পেমেন্ট পরিশোধ করা যাবে।

এছাড়াও, গ্রাহকরা ডিমানির মাধ্যমে বাস ও মুভি টিকেট কিনতে পারবেন, বিমা পলিসি কিনতে পারবেন ও প্রিমিয়াম দিতে পারবেন শুধুমাত্র কয়েকটি ক্লিক করার মাধ্যমেই। অ্যাপের রিকুয়েস্ট মানি ফিচারের মাধ্যমে স্ক্যান করার সুবিধাও থাকছে। যেমন, কোনো কর্মী তাদের কাজের প্রয়োজনে ট্যাক্সিক্যাব ব্যবহার করলে তার ভাড়ার রশিদ স্ক্যান করতে পারবেন বিল হিসেবে জমা দেয়ার জন্য।

ডিমানির পিএসপি লাইসেন্স থাকার ফলে গ্রাহকরা বড় ধরনের আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন। যেমন এ অ্যাপের মাধ্যমে বিমান টিকেট কেনা যাবে।

বাংলাদেশের এমএফএস ল্যান্ডস্কেপে, যেখানে দেশের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ আনুষ্ঠানিক আর্থিক সেবাখাতের বাইরে তাদের জন্য ডিজিটাল সেবা বিস্তৃত করতে এবং তাদের আনুষ্ঠানিক আর্থিক সেবা ব্যবস্থায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সব সেবাদাতার মধ্যে ইন্টারোপোরেবল সেবা শুরু একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জের সমাধান হচ্ছে সবার একসাথে কাজ করা।

ডিমানি প্রথম প্রতিষ্ঠান যা সফলভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিউআর মানদণ্ড বাংলাকিউআর ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করা শুরু করেছে। ডিমানিতে রয়েছে ইন্টারোপোরেবল কিউআর সুবিধা। গ্রাহকরা ডিমানি কিউআর কোড ব্যবহার করে যেকোনো সেবাদাতার ডিজিটাল পেমেন্ট করতে পারবেন। এর মাধ্যমে ডিমানি এমএফএস গ্রাহকদের জন্য কিউআর কোড অসুবিধা দূর করেছে। সাধারণত, এক কিউআর কোড সকল ওয়ালেটে কাজ করে না। কিন্তু ডিমানির ইন্টারোপোরেবল ওয়ালেট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ডিমানি গ্রাহকরা ডিমানি থেকে অন্য সব ডিজিটাল ওয়ালেটে টাকা পাঠাতে পারবেন এবং টাকা গ্রহণ করতে পারবেন।

সি-নিউজ : সেবা ব্যবহারে গ্রাহকদের কি পরিমাণ ফি দিতে হবে? দৈনিক লেনদেনের সীমা কতো?

আরেফ আর বশির : 

ফি-

ব্যাংক ট্রান্সফার: ফ্ল্যাট ২০ টাকা/ প্রতি লেনদেন

ভিসা থেকে ওয়ালেট রিফিল: ২ শতাংশ

মাস্টারকার্ড থেকে ওয়ালেট রিফিল: ২ শতাংশ

অ্যামেক্স থেকে ওয়ালেট রিফিল: ৩.৫ শতাংশ

একদিনে গ্রাহকরা সর্বোচ্চ একলাখ টাকা রিফিল, ট্রান্সফার, রিকুয়েস্ট মানি ও বিল পরিশোধ করতে পারবেন এবং মার্চেন্ট পেমেন্ট দিতে পারবেন ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত। আর সবকিছুর ক্ষেত্রে মাসিক লেনদেন পরিসীমা হচ্ছে ৪ লাখ টাকা।

সি-নিউজ : গ্রাহক সুরক্ষায় আপনারা কি রকম নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছেন?

আরেফ আর বশির : ডিমানির নিজস্ব সফটওয়্যার আইপি রয়েছে। গ্রাহক ও অংশীদারদের কথা চিন্তা করে এপিআই ভিত্তিক ডিমানি প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত সুরক্ষিত ও সহজে ব্যবহারযোগ্য। নিরাপত্তা সুরক্ষায় ডিমানি পিসিআই-ডিএসএস, পিএ-ডিএসএস এবং আইএসও ২৭০০১ গাইডলাইন সহ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং পেমেন্ট ও নিরাপত্তা নীতিমালা মেনে তৈরি। এছাড়াও, আমাদের অভ্যন্তরীণ কন্ট্রোল ও কমপ্লায়েন্স দল সর্বদা প্রতিটি ধাপে ডিমানি প্লাটফর্মে গ্রাহকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে। ডিমানি শীর্ষস্থানীয় সিকিউরিটি ফ্রেমওয়ার্ক ‘ওডব্লিউএএসপি’ শীর্ষ ১২ দ্বারা পরীক্ষিত এবং এর রিয়েল-টাইম ডাটা রেপ্লিকেশন ও ব্যাকআপ সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও, ডিমানি সকল লেনদেন সহ সংবেদনশীল সকল তথ্যে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন নিশ্চিত করে।

ডিমানি প্ল্যাটফর্ম সিকিউরিটি, ইন্টারনাল কমপ্লায়েন্স এবং রোবাস্টনেসের ওপর সবচেয়ে গুরত্ব দেয়। আমাদের নিজস্ব নিবেদিত সফটওয়্যার প্রকৌশলী টিম রয়েছে যারা নিরলস চেষ্টার মাধ্যমে ডিমানি প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছে। এক্ষেত্রে, প্রতি মিনিটে ট্রানস্যাকশন স্ট্রেস টেস্টের ওপর এবং অসম্পূর্ণ লেনদেনের ক্ষেত্রে সকল আশু সমস্যার সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে যাতে গ্রাহকরা প্রতিটি পদক্ষেপে ইন-বিল্ট সুরক্ষা লাভ করে।

সি-নিউজ : ডিমানি কেনো শতভাগ বাংলাদেশি পণ্য?

আরেফ আর বশির : ডিমানি বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের মেধাবী তরুণদের তৈরি করা প্ল্যাটফর্ম। তাই, ডিমানি শতভাগ বাংলাদেশি।

সি-নিউজ : ডিমানি নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

আরেফ আর বশির : ডিমানির প্রযুক্তিখাতে ধারাবাহিক বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে এবং আমরা নগদ অর্থ থেকে ডিজিটাল অর্থে রূপান্তরে বাধা দূরীকরণে উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করে যাবো। আমাদের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য লাইফস্টাইল ও ফাইন্যান্সিয়াল সেবা উন্নত করতেও আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের ডিজিটাল ইকোসিস্টেম নির্মাণে আমাদের লক্ষ্য সকল অংশীদারদের ডিমানি নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়ে একসাথে কাজের আমন্ত্রণ জানানো। যাতে করে গ্রাহকরা ডিমানি’র প্ল্যাটফর্মে সকল অংশীদারদের থেকে সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।

দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য, ব্যাংক সুবিধার ভেতরে ও বাইরে থাকা গ্রাহকদের জন্য এবং সরকার ও নাগরিকদের মধ্যে ডিজিটাল সেবা সুবিধা নিশ্চিত করা, এ সবকিছুর মাধ্যমে আমাদের উদ্দেশ্য ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি। আমাদের মূল লক্ষ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আলোচনাকে দেশের নাগরিকদের সামগ্রিক আর্থিক সুব্যবস্থার দিকে রূপান্তর করা।

ধন্যবাদ সিনিউজভয়েস কে ধন্যবাদ আপনাকেও।

 

 

-সিনিউজভয়েস/জিডিটি/১২ডিসে./১৯

 

Please Share This Post.