দারাজের বৈশাখী মেলায় ৬০ হাজারেরও বেশি পণ্যে মূল্য ছাড়


বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স সাইট, দারাজ বাংলাদেশ আয়োজন করছে বছরের সবচেয়ে বড় বৈশাখী মেলা। ৩০ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে আয়োজনটি।

৬০ হাজারেরও বেশি পণ্য এবার daraz.com.bd ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত থাকবে যার ওপর পাওয়া যাবে ৭০% পর্যন্ত ছাড়। গ্রাহক ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে অনলাইনে শপিং করলে অতিরিক্ত আরো ২০% পর্যন্ত ছাড় প্রযোজ্য হবে। গ্রাহকদের সুবিধার জন্য দারাজ বিভিন্ন ব্যাংক ও বিকাশের সঙ্গে পার্টনারশিপ করেছে যাতে অনলাইন শপিং সহজ হয়। পেমেন্ট পার্টনারদের মধ্যে আছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, স্ট্যন্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এবং বিকাশ।

পুরো ১৬ দিন ধরে দারাজ এবার গ্রাহকদের অনলাইনে বৈশাখী কেনাকাটার সুবর্ণ সুযোগ দিচ্ছে। প্রতিদিনই থাকছে ক্রেতাদের জন্য নিত্যনতুন চমক। ৩০ মার্চ থেকে ডিসকাউন্ট পাওয়া যাবে ফ্যাশন ও সৌন্দর্যচর্চার পণ্যে। ৩১ মার্চ থেকে মূল্য ছাড় থাকবে খেলাধূলার জিনিস গেইমিং, কম্পিউটিং ও শিশু-কিশোরদের জিনিসে। ১ তারিখ থেকে থাকবে ঘর সাজানোর জিনিসে আকর্ষণীয় ছাড়। টেলিভিশন ও ক্যামেরা জাতীয় পণ্যে মূল্য ছাড় থাকবে ২ তারিখ থেকে। ৩ তারিখ থেকে ডিসকাউন্ট পাওয়া যাবে মোবাইলফোন ও ট্যাব জাতীয় ইলেকট্রনিক সামগ্রীতে। এছাড়া পরের দিনগুলোতেও থাকবে আকর্ষণীয় সব ডিল ও অফার।

ই-কমার্সের জন্য বাংলাদেশ খুবই আকর্ষণীয় একটি মার্কেট। এমনকি খুব শিগগির পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের অনলাইন মার্কেটের সমান হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের অনলাইন মার্কেট।

দারাজ বাংলাদেশ লি. এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর বেনজামিন দি ফুশিয়ের এই বৈশাখে সকলকে daraz.com.bd ওয়েবসাইটে আমন্ত্রণ জানান এবং বলেন, ‘আমি জানি পাহেলা বৈশাখ বাঙালিদের জন্য কতটা অর্থবহ এবং ঐতিহ্যপূর্ণ। কিন্ত এ যুগে এমন একটি ঐতিহ্য কেন কেবল অফলাইনে উদযাপিত হবে! অন্যতম প্রধান ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আমরা এই উৎসবের আনন্দ অনলাইনেও ছড়িয়ে দিতে চাই।’

তিনি আরো জানান, ‘ই-কমার্সের জন্য বাংলাদেশ একটি আদর্শ দেশ। আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে খুব কম সময় অনেক বেশি গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো যায়। দেখা গেছে দারাজের প্রায় অর্ধেক অর্ডার আসে ঢাকার বাইরে থেকে। এর কারণ কিন্তু খুব পরিষ্কার। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে পণ্য পৌছাচ্ছে না অথচ চাহিদাটা কিন্তু ঠিকই আছে। আর এজন্যই ইউরোপ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বাংলাদেশে ই-কমার্স সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই প্রবল। আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, অর্ধেকের বেশি মানুষ মোবাইল ফোনের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সার্ভিসটি নিচ্ছে। মানুষের হাতে হাতে যে হারে স্মার্টফোন ছড়িয়ে পড়ছে, এতে করে সামনের দিনে এই সংখ্যা আরো বাড়বে।’

এই মেলাটি অন্য যেকোন মেলা থেকে কেন অন্যরকম তা ব্যাখ্যা করে দারাজ গ্রুপের সিইও, জনাথন ডোয়ার বলেন, ‘ই-কমার্স নিয়ে আমাদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এবং বিস্তর জ্ঞান রয়েছে। মানসম্পন্ন পণ্য বিক্রির পাশাপাশি, গ্রাহকদের সন্তুষ্টির প্রতি নজর রাখাই আমাদের মূল প্রয়াস। আমরা বিশ্বাস করি অদূর ভবিষ্যতে ই-কমার্সই হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। সেই লক্ষেই আমরা সকলকে আহ্বান করব ই- কমার্স এর সুবিধাগুলো গ্রহণ করতে। নতুন বছর আপনার জন্য হোক অনলাইনে কেনাকাটাকে আপন করে নেয়ার বছর।’

প্রতি মাসে দারাজের প্রবৃদ্ধির হার দুই অঙ্কের সংখ্যায় বাড়ছে। এবং প্রতিদিন বাজারে প্রতিদ্বন্দির সংখ্যাও বেড়ে যাচ্ছে। এ থেকেই বোঝা যায় বাংলাদেশের মানুষের ই-কমার্সের প্রতি প্রবল আকর্ষণ রয়েছে এবং আগামীতে ই-কমার্সই হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক