ঢাকার বিভিন্ন স্থানে খাওয়ার পানির ৫০০ ট্যাঙ্ক থাকবে

স্বাস্থ্যসম্মত আধুনিক টয়লেটের পাশাপাশি ফুটপাথ ও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৫০০ ড্রিংকিং ওয়াটার ট্যাঙ্ক বসানোর ঘোষণা দিয়ে ঢাকা সিটি করপোরেশন দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, এখন আমরা পাবলিক টয়লেট করে দিচ্ছি। নগরীর অক্লান্ত পরিশ্রমী মানুষ ও পথচারীদের জন্য আমরা শহরে ড্রিকিং ওয়াটার ট্যাঙ্ক করে দেব।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় এবং অ্যাইচ এন্ড এম ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে ওয়াটার এইড বাংলাদেশ আরো দুটি নতুন পাবলিক টয়লেট স্থাপন করেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্বলিত এই পাবলিক টয়লেটগুলো উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল এবং ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মো. খায়রুল ইসলাম।

ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্মিত এ দৃষ্টিনন্দন এবং নারী ও শারিরিক প্রতিবন্ধীবান্ধব পাবলিক টয়লেটগুলো পথচারী ও দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। এই টয়লেটে নারী এবং পুরুষের জন্য আলাদা কক্ষ, লকার, হাতধোয়ার জায়গা, ধোয়ার পানি এবং বিশুদ্ধ খাবার পানির সুবিধা রয়েছে। এগুলোতে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ এবং সিসি টিভি ক্যামেরাসহ পেশাদার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং মহিলা কেয়ারটেকার রয়েছেন।

পাবলিক টয়লেট দু’টির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, ‘৮০ ভাগ মানুষ হেঁটে তাদের কর্মস্থলে যান, তাদের জন্য আমি ফুটপাথ উন্মুক্ত করতে চাই। যেকোনো মূল্যে আমি অবৈধ স্থাপনা মুক্ত নগর গড়তে চাই। সে জন্য সব ধরণের শ্রেণী পেশার মানুষকে এক হতে হবে।’

inner

সুইডেন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত জোহান ফ্রিসেল বলেন, ‘নগরীর ওপর বাড়তি চাপ স্যানিটেশন সুবিধাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। তবে ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এবং এইচ অ্যান্ড এম যে উদ্যোগ নিয়েছে তা অত্যন্ত উৎসাহজনক।’’

ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতের জন্য পরিচ্ছন্ন পাবলিক টয়লেট অপরিহার্য। সিটি করপোরেশন, ওয়াটার এইড বাংলাদেশ এবং এইচ অ্যান্ড এম ফাউন্ডেশন যৌথভাবে পথচারীদের জন্য এগুলো নির্মাণ করছে। জননেতারা এগুলো রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন।’

নগর স্বাস্থ্য রক্ষায় যথাযথভাবে পাবলিক টয়লেট ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা ওয়াসা এবং ওয়াটার এইড বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ ধারাবাহিকতায় এ টয়লেটগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে রাজধানীর বেশকয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাবলিক টয়লেট সংস্কার করেছে ওয়াটার এইড বাংলাদেশ। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহায়তায় এবং এইচ অ্যান্ড এম ফাউন্ডেশনের র্অর্থায়নে সানরাইজ প্রকল্পের আওতায় এ সংস্কার কাজ পরিচালিত হয়।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.