ডিআইইউতে ৩ দিনব্যাপী ‘উইমেন এন্ট্রাপ্রেনারশিপ কংগ্রেস-২০২০’ সমাপ্ত

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী (১৯ নভেম্বর-২১নভেম্বর) ভার্চুয়াল ‘উইমেন এন্ট্রাপ্রেনারশিপ কংগ্রেস-২০২০’-এর সমাপনী অনুষ্ঠান গতকাল শনিবার (২১ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য সেলিমা আহমেদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টার্ট আপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিনা জাবিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক বিউটি আক্তার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিমা আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির পেছনে নারী উদ্যোক্তাদের অবদান রয়েছে। এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পেছনে নারী উদ্যোক্তাদের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। সারা দেশে হাজার হাজার ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা রয়েছেন। তাদের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। এজন্য সরকারি বাজেটে নারী উদ্যোক্তাদেও জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সেলিমা আহমেদ আরও বলেন, নারীরা এখন ব্যবসা বাণিজ্যেও ক্ষেত্রে অনেক ভালো করছে। তাদের সাফল্য ঈর্ষণীয়। তারপরও স্বীকার করতে হবে যে এখনও অনেক নারী পিছিয়ে আছে। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, কৌশল নির্ধারণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি ইত্যাদি বিষয়ে নারীদেরকে আরও অগ্রবর্তী হওয়ার পরামর্শ দেন সেলিমা আহমেদ।

বিশেষ অতিথি টিনা জাবিন বলেন, বাংলাদেশ ক্রমশ ডিজিটাল হচ্ছে। এর পেছনেও নারীদের অসামান্য অবদান রয়েছে। কারণ হাজার হাজার নারী প্রযুক্তি উদ্যোক্তা হয়েছেন। অনেক তরুণী এখন ফ্রিল্যান্সিং করেন। আইটি ফার্ম দিয়েছেন অনেক নারী। এই নারী উদ্যোক্তাদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহŸান জানান টিনা জাবিন।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এ কংগ্রেসে সারা বিশ্ব থেকে ৬৫জন বক্তা বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন। তিন দিনের এই কংগ্রেসে অন্তত ১০ হাজার উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করেছেন। এর আগে গত ১৯ নভেম্বর মরিশাসের ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট অমিনাহ গারিব ফাকিম ‘উইমেন এন্ট্রাপ্রেনারশিপ কংগ্রেস-২০২০’-এর উদ্বোধন করেছিলেন।

Please Share This Post.