ডিআইইউতে গবেষণায় সেরা ডিপার্টমেন্টের পুরস্কার পেল জেনারেল এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট

সি নিউজ ডেস্ক :ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘গবেষণা পুরস্কার প্রদান উৎসব-২০১৯’ আজ সোমবার (২২ মার্চ) ড্যাফেডিল বিশ্ববিদ্যালয়, ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটির ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হলে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম লুৎফর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুব উল হক মজুমদার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার মোমিনুল হক মজুমদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী একেএম ফজলুল হক, গবেষণা বিভাগের পরিচালক ও প্রধান অধ্যাপক ড. মোঃ কবিরুল ইসলামসহ আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান এবং শিক্ষকবৃন্দ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগের অয়োজনে অুনষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের লেখা ৩৪৬টি গবেষণা প্রবন্ধ স্কোপাস ইনডেস্কে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সেরা গবেষক হিসেবে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. তৌহিদ ভুঁইয়া, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. ইমরান মাহমুদ, আইন বিভাগের ড. কুদরাত ই খুদা বাবু, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. মাস্তাফিজুর রহমান, সিএসই বিভাগের শেখ আবুজার এবং সিএই বিভাগের শিক্ষার্থী আবু কায়সার মাসুমকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। অন্যদিকে পাবলিকেশনের সংখ্যার দিক থেকে প্রথম স্থান অধিকার কওে জেনারেল এডুকেশন ডেভলপমেন্ট বিভাগ, দ্বিতীয় স্থান অর্জন কওে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করে সিএসই বিভাগ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ হচ্ছে জ্ঞান সৃষ্টি করা। আর জ্ঞান সৃষ্টি করতে প্রয়োজন গবেষণা। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট হচ্ছে গবেষণা করা। এই প্রযুক্তির যুগে প্রযুক্তির বিষয়ে দক্ষ হওয়া ছাড়া উপায় নেই। ড্যাফোডিল হচ্ছে দেশের সেরা প্রযক্তিনির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়। তারা গবেষণাতেও ঈর্ষণীয়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এসময় তিনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের অভিনন্দও জানান।
অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়ে উঠেছে। এই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পেছনে ড্যাফোডিলের অবদান রয়েছে। এসময় তিনি গবেষকদেরকে আর্থ সামাজিক সমস্যা নিয়েগবেষনা করার আহŸানর জানান।
ড. মো. সবুর খান তার বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের উপর আমাদের বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। গবেষণার সঙ্গে শিক্ষার্থীদেরকে বেশি বেশি অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। তা না হলে আমার শিক্ষার উন্নয়ন টেকসই হবে না। এসময় তিনি বলেন, ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীরা দেশে ও বিদেশে গবেষণা ক্ষেত্রে খুবই ভালো ফল করছে। তিনি শিক্ষাকদেরকে গবেষণা ফান্ড সংগ্রহ করার আহŸান জানান। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে শিক্ষকদেরকে যোগাযোগ রাখতে বলেন ।

Please Share This Post.