ট্যান্জিবল ইউজার ইন্টারফেস

এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেমের কথা কল্পনা করুন যেটি বাস্তব পরিবেশের সাথে ডিজিটাল দুনিয়ার এমন একটি মেলবন্ধন সৃষ্টি করে যাতে কম্পিউটার আপনার চারপাশের প্রতিটি বস্তুকে চিনতে পারে।

মাইক্রোসফট-এর এরকম একটি উদ্যোগ হচ্ছে পিক্সেলসেন্স (Pixelsense), আগে যার নাম ছিল সারফেস। এই সিস্টেমের ইন্টার‌্যাকটিভ কম্পিউটিং সিস্টেমে স্ক্রিনের ওপর যা কিছু রাখা হয় তাকেই চিনতে পারে কম্পিউটার। মাইক্রোসফট সারফেস ১.০-এ বিভিন্ন বস্তু থেকে আলোকে নিক্ষেপ করা হয় একাধিক ইনফ্রারেড ক্যামেরার ওপর। এর মাধ্যমেই কম্পিউটার সিস্টেম স্ক্রিনের ওপর রাখা বিভিন্ন বস্তুকে ধারণ ও চেনার কাজটি করে।

এই প্রযুক্তির অগ্রসর একটি সংস্করণে (মাইক্রোসফট পিক্সেলসেন্স-এর সাথে যেখানে যুক্ত হয় স্যামসাং এসইউআর৪০), স্ক্রিনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয় সেন্সর। ক্যামেরার পরিবর্তে এসব সেন্সরই স্ক্রিনের ওপর যাবতীয় স্পর্শকে চিহ্নিত করে। এই সারফেসের ওপর সত্যিকারের তুলি দিয়ে ছবি আঁকলে সেটি ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তরিত হয়ে যাবে। আবার এর ওপর স্মার্টফোনকে রাখলে ফোনের গ্যালারির ভেতর যেসব ছবি আছে সেগুলো একটার পর একটা স্ক্রিনের ওপর দেখানো হতে থাকবে।

Please Share This Post.