গ্রোথ ইকো সিস্টেম নিয়ে কাজ করতে চায় ‘টিম হরাইজন’

  দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) নির্বাহী কমিটির ২০১৮-২০২০ নির্বাচনে প্রথম প্যানেল ঘোষণা করেছেন মেট্রোনেট এর প্রধান নির্বাহী এবং বেসিস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আলমাস কবীর। ‘টিম হরাইজন’ নামে ৯ সদস্যের এই প্যানেলের নাম ঘোষনা করেন তিনি।
আজ সোমবার পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্যানেলের বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়। সৈয়দ আলমাস কবীর ছাড়াও ‘টিম হরাইজন’ প্যানেলে রয়েছেন ইউওয়াই সিস্টেমসের প্রধান নির্বাহী বেসিস এর ভাইস-চেয়ারম্যান ফারহানা এ রহমান, বিজনেস অটোমেশনের পরিচালক শোয়েব মাসুদ, সফট পার্কের প্রধান নির্বাহী এবং বেসিসের পরিচালক দেলোয়ার হোসেন ফারুক, জানালা সিস্টেমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানজীম সিদ্দিক স্পন্দন, স্প্রেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়ামের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুসফিকুর রহমান, ক্রওয়েস আইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফাহিম তানভীর, স্যুটিং স্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিদারুল আলম সানী এবং ড্রিম সেভেন্টি ওয়ানের প্রতিষ্ঠাতা রাশাদ কবীর।
নির্বাচন নিয়ে প্যানেল প্রধান আলমাস কবির বলেন, নয় সদস্যের এই প্যানেলটি তৈরি করা হয়েছে অভিজ্ঞ এবং নবীন সদস্যদের নিয়ে। যার মধ্যে ৪ জনই কোন না কোন ভাবে এর আগেও বেসিস পরিচালনা পর্ষদে উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও নতুন মুখ যারা আছে, তারা তরুন। ইতিমধ্যেই বেসিসের বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির সাথে তারা কাজ কাজকরেছে এবং ইন্ডাস্ট্রি নিয়েও তাদের ভালো অভিজ্ঞতা আছে।
আলমাস কবির বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বেসিস সদস্যদের জন্য একটা গ্রোথ ইকো সিস্টেম তৈরি করা। যেখানে সদস্য কোম্পানীগুলোর জন্য একসেস টু ফাইন্যান্স, স্থান সংকলন, বিজনেস প্রসেস ডেভেলপমেন্ট, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজম্যান্ট, দক্ষ জনশক্তি, মার্কেটিং ব্র্যান্ডিং এই সবগুলো সাহায্য দিতে চাই। এই জন্য পুরো একটা ইকো সিস্টেম তৈরি করতে চাই। যেখান থেকে সদস্যরা তাদের নিজেদের কোম্পানিকে আরো শক্তিশালি করতে পারবে। আর শক্তিশালী হতে পারলে কিন্তু তাদের ব্যবসার প্রসার নিশ্চিত হবে। এই জন্যই আমরা বলছি গ্রোথ ইকো সিস্টেম।
এছাড়াও আমাদের এখানে যেহেতু অভিজ্ঞ লোকজন আছেন, তারা ইতিমধ্যেই সরকারের সাথে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বসেছিলো। এছাড়াও বেসিসের বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটিতেও তারা কাজ করেছেন। সেহেতু তাদের দ্বারা সরকারের নীতি নির্ধারকদের সাথে বসে আমরা সদস্য কোম্পানীগুলোর জন্য ব্যবসা বান্ধব একটা পলিসি তৈরির চেষ্টা করবো। নতুন করে সদস্য কোম্পানী বান্ধব একটা নীতিমালা তৈরির চেষ্টা করবো।
Please Share This Post.