জিপি অ্যাকসেলেরেটরের চার স্টার্টআপ গ্র্যাজুয়েটেড

গ্র্যাজুয়েট হলো জিপি অ্যাকসেলেরেটরের পঞ্চম ব্যাচের চার স্টার্টআপ। এগুলো হলো- সার্চ ইংলিশ, পার্কিং কই, সিওয়ার্ক ও অনুকিট।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতিতে জিপি অ্যাকসেলেরেটরের পঞ্চম ব্যাচ সোমবার জিপি হাউজে নিজেদের ধারণার উপস্থাপন করেছে।

যাত্রার শুরুতে ২৬টি স্টার্টআপ নিয়ে এ কর্মসূচি যাত্রা শুরু করেছিলো, এর মধ্য থেকে ২০টি স্টার্টআপ সফলভাবে গ্রাজুয়েট হয়েছে। জিপি অ্যাকসেলেরেটরের পঞ্চম ব্যাচের জন্য এক হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে কঠোর নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সেরা পাঁচটি স্টার্টআপ নির্বাচিত হয়।

এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। মন্ত্রী দেশের তরুণ সমাজের জন্য প্রযুক্তি ‌ব্যবহার করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান তৈরি করতে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম সৃষ্টি করার জন্য গ্রামীণফোনকে অভিনন্দন জানান।

মন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্পকে সমর্থন দেয় এবং আমি জিপি এক্সেলেরেটরে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি যে তারা চলতি পথে পার্কিংয়ের স্থান খুঁজে বের করার সমস্যা সমাধানে কাজ করছে, যা আমাকে আনন্দিত করেছে।

গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি বলেন, এই প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী স্টার্টআপ ইকো সিস্টেম গড়ে তুলেছে এবং দ্রুত দেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মেন্টরশিপ কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। গত কয়েক বছরে তথ্যপ্রযুক্তিখাতে এবং স্টার্টআপের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভুতপূর্ব সাফল্য দেখিয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকটি স্টার্টআপ বৈশ্বিকভাবে নিজেদের বিস্তৃতি ঘটিয়েছে এবং এর মধ্যে কয়েকটি স্টার্টআপ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে এসেছে।

চার মাসের মেন্টরশিপ কর্মসূচি ও কেপিআই সেশনের পর চারটি স্টার্টআপ সফলভাবে পঞ্চম ব্যাচের কর্মসূচিতে গ্র্যাজুয়েট হয়। এ স্টার্টআপগুলো দেশের সমস্যা নিয়ে কাজ করছে। এসব স্টার্টআপের মধ্যে কয়েকটির সম্ভাবনা রয়েছে বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণের।

আলাদা ও বৈচিত্র্যময় ডোমেইন ও শিল্পখাতে নিজেদের প্রবৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষ তাদের প্রাত্যহিক জীবনে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হয় তার সমাধানে এ চারটি স্টার্টআপ কার্যকরীভাবে এগিয়েছে।

সিনিউজভয়েস//ডেস্ক/
Please Share This Post.