জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত গ্রামাণফোনের আয় ৩১২০ কোটি টাকা

গ্রামীণফোন লিঃ ২০১৮ সালের ১ম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-এপ্রিল) ৩১২০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে যা পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় ২.০% বেশি । ডাটা থেকে অর্জিত রাজস্ব বেড়েছে ২৩.৯% সেই সঙ্গে ভয়েস কল থেকে অর্জিত রাজস্বও গত বছরের তুলনায় ৩.৯%।

প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ২১ লাখ নতুন গ্রাহক অর্জন করে যা ডিসেম্বর ২০১৭ এর তুলনায় ৩.৩% বেশি। এই প্রান্তিকে ১১ লক্ষ নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী যোগ হওয়ায় গ্রামীণফোনের মোট গ্রাহকের ৪৭.৮% ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল প্যাট্রিক ফোলি বলেন, ‘আমরা নতুন স্পেকট্রাম ও তরঙ্গ নিরপেক্ষতার সহায়তায় সেরা গ্রাহক অভিজ্ঞতা প্রদানে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪জি সেবা চালু করি। নেটওয়ার্কের মানের ক্ষেত্র আমাদের উচচতর অবস্থান আরো সংহত করতে একটি দৃঢ় নেটওয়ার্ক বিস্তার ও আধুনিকায়ন পরিকল্পনা আছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশেও এই প্রান্তিকে আমরা আয় ও গ্রাহক প্রবৃদ্ধি দেখেছি । আমরা বাজারে ভয়েস ও ডাটার বেশ কিছু প্রাসংগিক অফার ছেড়েছিলাম যা রাজস্ব আয়ের ভিত্তি এবং ব্যবহার বাড়িয়েছে।’

আয়কর প্রদানের পর ২০১৭ এর ১ম প্রান্তিকে ২০.৫% মার্জিন সহ ৬৪০ কোটি টাকা মুনাফা হয়েছে। এতে আয় ২.৫% কমে গেছে। এই প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪.৭৪ টাকা।

গ্রামীণফোনের সিএফও কার্ল এরিক ব্রোতেন বলেন, ‘গ্রামীণফোন এই প্রান্তিকে স্বাস্থ্যকর আছ বৃদ্ধি এবং স্থিতিশীল অর্জন করেছে। এই অর্জন এসেছে ৪জি চালু করার জন্য, বেশি গ্রাহক সংগ্রহ এবং ডিজিটাল সার্ভিস সমূহের জন্য পেশাদারী ফির জন্য বেশি বিনিয়োগের প্রেক্ষাপটে।’ তিনি আরো বলেন যে, ‘উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা এবং মার্কেট অফারে আমাদের বিনিয়োগ ভবিষ্যতে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে।’

গ্রামীণফোন প্রথম প্রান্তিকে ৪জি লাইসেন্স, স্পেকট্রাম ও প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা খাতে ১৭১০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এছাড়াও ২জি, ৩জি ও ৪জি নেটওয়ার্ক স্থাপন, মানোন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে ৩৮০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। গ্রামীণফোন এই প্রান্তিকে সালে সরকারী কোষাগারে কর, ভ্যাট, শুল্ক, স্পেকট্রাম ক্রয়, প্রযুক্তি নিরপেক্ষতা এবং লাইসেন্স ফি হিসেবে ২৭৫০ কোটি টাকা দিয়েছে যা কোম্পানির মোট রাজস্ব আয়ের ৮৮ শতাংশ।

গ্রামীণফোন গত ১৯ এপ্রিল ২০১৮ এ সকল নিয়ম কানুন মেনে তার ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভার আয়োজন করে। সভায় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারগণ ২০১৭ সালের জন্য ২০৫ শতাংশ মোট নগদ লভ্যাংশ (১০৫% অন্তবর্তী নগদ লভ্যাংশ সহ) অনুমোদন করেন।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.