জাতীয় হ্যাকাথনে ১০ বিজয়ীর নাম ঘোষনা ও পুরস্কৃত

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্পের (আইডিয়া) অধীনে ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা। এতে সহযোগিতা করে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশন ও টেক মাহিন্দ্রা লিমিটেড।

১০টি জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যার তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক উদ্ভাবনী সমাধানের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল হ্যাকাথন অন ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজিস প্রতিযোগিতার ফল ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার রাজধানীর ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (আইইউবি) অনুষ্ঠিত হ্যাকাথনের সমাপনী অনুষ্ঠানে সেরা ১০টি উদ্ভাবনী দলকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিজয়ী দলগুলো তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টেক মাহিন্দ্রা লিমিটেডের ল্যাবে গবেষণা ও প্রযুক্তি সহায়তা পাবে।

১০ বিজয়ী দলগুলো হচ্ছে—গুজব প্রতিরোধে সমন্বিত ব্যবস্থা প্রবর্তনে অন্যেষা প্রকল্প নিয়ে টিম অনটন, পল্লি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মনিটরিংয়ে ডিজিটাল পাবলিক সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম প্রকল্প নিয়ে সাউট টু, কার্যকর ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির প্রবর্তনে গ্রিন বিডি প্রকল্প নিয়ে ট্রজান, ইন্টিগ্রেটেড মার্কেট ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে অরিজিন্যাটিভ-১, যথাযথভাবে খাদ্যশস্য সংরক্ষণে স্মার্ট ওয়্যারহাউসে অ্যান আইওটি বেজড স্মার্ট ওয়্যারহাউস ফর প্রিজার্ভিং গ্রেইনস প্রপারলি প্রকল্প নিয়ে ব্রগ্রামার্স, রিয়েল টাইম ইমারত নির্মাণ পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা প্রবর্তনে পর্যবেক্ষণ প্রকল্প নিয়ে ল্যাম্বডা, পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে যথাযথ ব্যবস্থা প্রবর্তনে অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ প্রকল্প নিয়ে রুয়েট অ্যাবাকাস, রেল দুর্ঘটনা রোধে ক্যাব সিগন্যালব্যবস্থা আধুনিকায়নে কমিউনিকেশন বেজড রেল ট্রাফিক কন্ট্রোল উইথ ক্যাব সিগন্যালিং প্রকল্প নিয়ে টিম সিগনাস, নৌ-দুর্ঘটনা রোধে আধুনিক নৌযান সিগন্যালিং/ট্র্যাকিং পদ্ধতি চালুকরণে দ্য কোস্ট গার্ড প্রকল্প নিয়ে জ্যান্ডার ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স’এবং ‘মোটরযান ফিটনেস সার্টিফিকেট’ প্রদান ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ড্রাইভ সেভ লাইভ প্রকল্প নিয়ে বুয়েট স্ক্যামারস।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ, টেক মাহিন্দ্রার করপোরেট অ্যাফেয়ার্সের সভাপতি সুজিত বক্সী, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার শ্রী বিশ্বদীপ, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, অতিরিক্ত সচিব রাশেদুল ইসলাম ও আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সৈয়দ মজিবুল হক।

গেস্ট অব অনার হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক, এমপি বলেন যে, লোকাল ইনোভেশনও হতে পারে গ্লোবাল সল্যুশন। তাই লোকাল সল্যুশন ও লোকাল ইনোভেশনকে আমরা কিভাবে গ্লোবাল সমাধান ও গ্লোবাল মার্কেটে নিয়ে যেতে পারি তার একটি ব্রিজিং করতে হবে। বিশ্বের সকল উদ্ভাবন এসেছে সরকার, একাডেমিয়া এবং ইন্ডাস্ট্রি এই তিনটি পক্ষের পারস্পরিক সমঝোতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে। সবশেষে তিনি দেশীয় সমস্যাসমূহের সমাধানে এই হ্যাকাথনে অংশগ্রহণ করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং একইসাথে সকল তরুণ ইনোভেটরদের ভবিষ্যতে স্টার্টআপ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সহোযোগিতা করা হবে বলেও জানান।

বিজয়ী দলগুলোর প্রকল্পসমূহের ম্যাচুউরিটির পর “টেক মাহিন্দ্রা লিমিটেড”-এর আওতাভুক্ত মার্কেটিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রচারণা করে তাদেরকে গ্রোথ পর্যায়ে নিয়ে আসতে সহযোগিতা করা হবে। সবশেষে বিজয়ী ১০টি টিমকে অ্যাওয়ার্ড ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

 

-সিনিউজভয়েস/জিডিটি/১লা মা./২০

 

 

 

 

 

Please Share This Post.