গ্রামীণফোনের কর্মজীবি নারীদের মানহানি বন্ধে আহবান

১৮ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার, গ্রামীণফোনের উইমেন ইন্সপিরেশন নেটওয়ার্ক (উইন) এর সদস্যরা জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় একটি পত্রিকা কর্তৃক ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ইমেজ নষ্ট ও ভিত্তিহীন অভিযোগে তাদের কর্মস্থলের পবিত্রতা নষ্টের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে উৎকন্ঠা প্রকাশ করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর, ইথিকস অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স, মোহাম্মদ তোফায়েল আউয়াল; স্ট্র্যাটেজিক একাউন্ট ম্যানেজার, এন্টারপ্রাইজ বিজনেস, আদিবা ফাহমি বর্ষা; জেনারেল ম্যানেজার পিএন্ডও জিনাত জহির; কোঅর্ডিনেটর ডেপুটি সিইও অফিস, শারমিন আখতার; সিনিয়র স্পেশালিস্ট নাজরানা ইউসুফ; জেনারেল ম্যানেজার, টেকনোলজি, শায়লা রহমান এবং হেড অব রিটেইল অপারেশন্স অ্যান্ড গভর্নেন্স ফারজানা রহমান।

একটি জাতীয় দৈনিক সম্প্রতি অভিযোগ করে যে, গ্রামীণফোনে কর্মরত নারীরা নানা ভাবে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন কিন্তু কোম্পানি এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।  এই প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে উইন এর প্রতিনিধিরা বলেন, গ্রামীণফোন দেশের অন্যতম নারীবান্ধব কর্মস্থল। একটি নিরাপদ কর্মস্থল নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি যৌন হয়রানির বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে এবং এ ধরনের বিষয় সমাধানে এর বলিষ্ঠ প্রক্রিয়া আছে।

তারা বলেন, এ সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ আসলে তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে সমাধান করা হয়। কোম্পানি ও বাইরের নারী অধিকার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে তদন্ত করা হয় এবং ঘটনার সত্যতা সাপেক্ষে দ্রুত উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। ন্যায় বিচারের লক্ষ্যে প্রতিটি হয়রানির অভিযোগ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয়ই তাদের অবস্থান প্রমাণের জন্য সমান সুযোগ পান।

উইন এর প্রতিনিধিরা দাবী করেন যে, এ ধরনের ভিত্তিহীন রিপোর্ট শুধু কোম্পানির ইমেজ নষ্ট করে না বরং নারীদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশকে বাধাগ্রস্থ করে। এটি শুধু তাদেরই সম্মানহানির প্রচেষ্টা নয় বরং দেশের সকল কর্মজীবি নারীর জন্য অসম্মানজনক।

উইনের অনেক সদস্য বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণফোনে কাজ করছে কিন্তু কখনো এমন পরিস্থিতির শিকার হননি যেখানে যৌন হয়রানি বা নারীর প্রতি অভদ্র ব্যবহারকে মেনে নেয়া হয়।

উইন টেলিনরের নারী কর্মীদের একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক , যা নারী কর্মীদের উচ্চতর পদের জন্য গড়ে তোলে। এছাড়াও এটি প্রযুক্তি খাতে নারীদের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.