গেম জ্যামে সেরা ৫ গেমস নির্বাচিত

পূর্ব নির্ধারিত ৩ জনের বদলে ৫ জন বিজয়ী ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হল মোবাইল গেম তৈরির প্রতিযোগিতা ‘গেম জ্যাম’।

৩৬ ঘণ্টার এই আয়োজন চলাকালীন তৈরি করা উচ্চমানের গেমের আধিক্যের কারণে আয়োজকরা ৩ জন বিজয়ী বেছে নিতে ব্যর্থ হওয়ায় ৫ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করে। বিজয়ী দলগুলো ৫০ লাখ টাকার লাঞ্চ বুস্টার ছাড়াও গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা পাবে।

গেম জ্যাম বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহায়তায় গ্রামীণফোন ও হোয়াইট বোর্ডের একটি যৌথ উদ্যোগ। ‘গেম জ্যাম’ চলাকালীন দলগুলোকে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে প্রাসঙ্গিক খাত বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকদের প্যানেলের মাধ্যমে যাচাই করা হয়।

প্রতিযোগিতার বিজয়ী দলগুলো হল অ্যাকশন গেম ‘ইনফেকটেড’ নিয়ে টিম রিবুট, ক্রিকেট গেম ‘গলি ক্রিকেট’ নিয়ে টিম ভুতুম পেঁচা, ঐতিহ্যবাহী নকশীকাথা ভিত্তিক আর্ট গেম ‘নকশী’ নিয়ে শ্যাডোলিট, পাজল গেম ‘শব্দ’ নিয়ে টিম ট্রাইফোর্স এবং স্কেচ/রেসিং গেম ‘স্কেচ জার্নি’ নিয়ে আনইকুয়াল সোলজার্স। তাদের ডেভলপ করা গেমগুলো এ বছরের জুলাই মাসের মধ্যে বাজার উপযোগী করে তোলা হবে এবং শুধুমাত্র গ্রামীণফোনের মাধ্যমেই গেমগুলো উন্মোচন করা হবে।

সোমবার গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয় জিপি হাউজে অনুষ্ঠিত হয়েছে গেম জ্যামের সমাপনী অনুষ্ঠান। গেম জ্যাম প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ক্রাউড সোর্স এর মাধ্যমে গেম ডেভেলপ এবং বাংলাদেশে তৈরি বড় মোবাইল গেম চালু করতে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী পিটার ফারবার্গ, প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান এবংবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেসের ফেলো ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

ইয়াসির আজমান বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণরা যাতে তাদের মেধার প্রদর্শন করতে পারে ও নিজেদের ধারণাগুলো নিয়ে কাজ করতে পারে এজন্য গ্রামীণফোনের অনেকগুলো উদ্যোগের একটি হচ্ছে গেম জ্যাম। এ আয়োজনের মতো বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখেছি ডিজিটাল তরুণদের নিজেদের মধ্যে প্রতিভার লালন করতে। যা আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশকে সামগ্রিক ডিজিটালকরণের দিকে নিয়ে যেতে নির্দেশনা দেয়ার ক্ষেত্রে তাদেরকে সহায়তা করবে।’

গেম জ্যামের জন্য আবেদন পত্র গ্রহণ শুরু হয় গত ২৩ মার্চ এবং শেষ হয় গত ১৩ এপ্রিল। আবেদন করা দলগুলোর মধ্য থেকে নির্বাচিত ২৫টি দল ৩৬ ঘণ্টাব্যাপী এ জ্যামে অংশগ্রহণ করে, যেখানে তারা নির্দিষ্ট কাজের ভিত্তিতে একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে।

এ উদ্যোগের সহযোগী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান হচ্ছে এমল্যাব (কৌশলগত সহযোগী), স্যামসাং (রিসোর্স সাপোর্ট), অপেরা (ইন্ডাস্ট্রি পার্টনার), ওয়াওবক্স (ডিজিটাল সহায়তা) এবং অ্যাপনোমেট্রি (কমিউনিটি এনগেজমেন্ট)।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক