কালো পোশাক পড়ে গ্রামীণফোন কর্মীদের প্রতিবাদ


১৫ এপ্রিল রোববার, বৈশাখী ভাতা ও যৌক্তিক ইনক্রিমেন্টের দাবিতে গ্রামীণফোনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ‘যৌক্তিক বেতন বৃদ্ধি ও বৈশাখী বোনাস চাই’ লেখা স্টিকার সহ কালো পোশাক পরে কালো দিবস পালন করেন।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার, গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ অফিসিয়ালি বৈশাখী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই কর্মসূচির প্রতিবাদের অংশ হিসেবে গ্রামীণফোনের সকল স্তরের কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ‘যৌক্তিক ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতা চাই’ স্টিকারসহ কালো পোশাক পরিধান করেন।

উল্লেখ্য, গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ তার কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী গ্রামীণফোন পিপল কাউন্সিলের (জিপিপিসি) মেম্বারদের কাছে এই বছর খুবই কম ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার প্রস্তাব শেয়ার করে এবং বৈশাখী বোনাস দিবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সাধারণ কর্মীরা গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের এই ১৫ এপ্রিলের বৈশাখী অনুষ্ঠান বর্জন করে যৌক্তিক ইনক্রিমেন্ট ও বৈশাখী ভাতার দাবিতে স্টিকার ও কালো পোশাক পরে প্রতিবাদ জানায়। কর্মীদের আহবানে সাড়া দিয়ে গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (প্রস্তাবিত) ও জিপিপিসি সংহতি প্রকাশ করে।

২০১৬ সাল থেকে সরকারি চাকরিজীবী ও বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বৈশাখী ভাতা পাচ্ছেন। অথচ গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ আবহমান বাংলার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ এই বাংলা নববর্ষকে সম্মান জানিয়ে তা উদযাপনের জন্য কোনো ভাতা দিচ্ছে না। উপরন্তু এই বছর ইনক্রিমেন্টও খুবই কম দিতে চাচ্ছে। ফলে, কর্মীদের মধ্যে ক্রমশঃ ক্ষোভ বাড়ছে।

এ বিষয়ে জিপিইইউ’র সভাপতি ফজলুল হক বলেন, গ্রামীণফোনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মুনাফা দিন দিন বাড়ছে কিন্তু কর্মীদের বেতনবৃদ্ধির হার শুধু কমছেই। পাশাপাশি অন্যান্য সুবিধাদিও কমিয়েছে কোম্পানিটি। ফলে, এমপ্লয়ীদের ক্ষোভ দিনে দিনে বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে সাধারণ এমপ্লয়ীরা যেকোনো সময় রাজপথে নেমে আসতে পারে। এমনটি ঘটলে জিপিইইউ অবশ্যই ন্যায়ভিত্তিক যেকোনো আন্দোলনে সাধারণ কর্মীদের পাশে থাকবে।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক