করোনা আক্রান্তদের সনাক্তে সিগমাইন্ডের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সল্যুশন : তানভির তাবাসসুম

বিশ্বের প্রায় ২০৩টির বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস কোভিড-১৯। বিশ্বজুেড়ে এই মহামারিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ছাড়াও মাস্ক ব্যবহার করছেন কোটি কোটি মানুষ। পাশাপাশি কোয়ারেন্টিন বা আইসোলেশনে থাকা মানুষগুলো মাস্ক পরে সীমিত আকারে  চলাফেরা করে থাকেন প্রতিনিয়ত। এমন মানুষদের করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত কিনা সেটা সাধারণ সিসি ক্যামেরায় শনাক্ত করা যায় না। চীন ও রাশিয়া নতুন প্রযুক্তি ভিত্তিক সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করে ফেইস রিকগনিশন সহ মাস্ক ব্যবহারকারী ব্যক্তি কোথায় কোথায় গিয়েছেন এবং ওই ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা এসব জানার মতো প্রযুক্তি অনেক আগে থেকেই ব্যবহার করছে বলে সিনিউজকে জানিয়েছেন বাংলাদেশী স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান সিগমাইন্ড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভির তাবাসসুম..

তিনি বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান সিগমাইন্ড ২০১৭ সাল থেকে দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করছে। আমাদের ”ওয়াচক্যাম মাস সার্ভিল্যান্স সিস্টেমে” মাস্কসহ ফেস শনাক্ত করার প্রযুক্তিটি আমাদের ফেস রিকগনিশন স্যলুশনে ২০১৯ সালেই যুক্ত করেছে। প্রযুক্তি সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেস শনাক্ত করে সতর্ক করা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে চেহারা বের করা, ডেটাবেইস থেকে পরিচয় খুঁজে বের করা, ভিডিও ফুটেজ থেকে কন্ট্রাক্ট শনাক্ত করার মতো কাজগুলো করতে পারে।

এক প্রশ্নের জাবাবে তানভির বলেন, আমরা ৫জন উদ্যোক্তা মিলে প্রতিষ্ঠানটা পরিচালনা করছি। আমরা বর্তমানে ছোট পরিসরে সরকারি, ২টা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক ও টেলকো সহ ৫-৬টি প্রতিষ্ঠানে বাণিজ্যিক আকারে সেবা  দিচ্ছি। আমি চাই সরকার আমাদের এই সল্যুশনটা ব্যবহার করুক।

মূলত আপানাদের মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে আমাদের ক্রেতাদের আগ্রহ সৃষ্টি করতে চাই। বর্তমান করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সমাধান নিয়ে এগিয়ে এসেছে সিগমাইন্ড। সম্প্রতি আমরা অ্যাপিকটা মেরিট পুরস্কার, বেসিস জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি পুরস্কার পেয়েছে।

রবির আর ভেঞ্চার টু পুরস্কার জিতেছি। আমাদের প্রতিষ্ঠান সিগমাইন্ডে ”দি এন্জেল নেটওয়ার্ক” এর অর্থায়ন ও সোনিয়া বশির কবির ম্যাডামের ধারাবাহিক তত্ত্বাবধানে এগিয়ে যাচ্ছি বলেন জানান পরিচালক তানভির।

 

-গোলাম দাস্তগীর তৌহিদ/০৩এপ./২০    

Please Share This Post.