কণ্ঠস্বরভিত্তিক প্রযুক্তির ব্যবহার

১৯৭৯ সালে ‘পুট দ্যাট দেয়ার’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন তৈরি করেছিলেণ ক্রিস স্মিডট। সেখানে কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ তথা ভয়েস রিকগনিশন প্রযুক্তির নানা দিক প্রদর্শিত হয়েছিল। সে থেকে এই প্রযুক্তির নানারকম ব্যবহার হয়ে চলেছে বটে, তবে এটি দিয়ে বৈপ্লবিক কোনো সফলতা এখনও অর্জন করা সম্ভব হয়নি। ভয়েস রিকগনিশন প্রযুক্তি নিয়ে সাম্প্রতিককালে সবচেয়ে বেশি হৈ হল্লা হয়েছে সিরি নিয়ে, এটি হচ্ছে অ্যাপলের তৈরি একটি পারসোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাপ্লিকেশন যেটিকে অ্যাপলের আইওএস-এ ব্যবহার করা হচ্ছে। এটিতে কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ ফাংশনের জন্য একটি ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয়, যা দিয়ে শুধুমাত্র অ্যাপল-এর তৈরি ডিভাইসে নানারকম কাজ করা যায়।

তবে গুগল গ্লাসের মত অন্যান্য প্রযুক্তিতেও এটির প্রয়োগ আছে। গ্লাস কিন্তু আদতে একটি স্মার্টফোনের মত কাজ করে, তবে সাধারণ স্মার্টফোনের সাথে এটির ফারাক হচ্ছে, এটিকে হাতে ধরে আঙ্গুলের সাহায্যে এটির সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করতে হয় না, বরং এটি চশমার মত চোখে পরে ব্যবহার করতে হয় এবং এটি তার ভয়েস কন্ট্রোল সিস্টেমের মাধ্যমে আপনার আদেশ নির্দেশ নির্বাহ করে।

কণ্ঠস্বরভিত্তিক ইউজার ইন্টারফেসে এ মুহূর্তে একমাত্র যে ঘাটতিটি আছে সেটি হচ্ছে, ব্যবকহারকারী যা বলছেন তা শতকরা একশো ভাগ নির্ভুলভাবে চিনতে পারার ব্যাপারটি। এক্ষেত্রে যেভাবে উন্নতি হচ্ছে তাতে নিকট ভবিষ্যতে কণ্ঠস্বরভিত্তিক ইউজার ইন্টারফেসই মানুষের সাথে কম্পিউটারের মিথস্ক্রিয়ার সেরা মাধ্যম হয়ে দাঁড়াতে পারে।

-সিনিউজভয়েস/ডেক্স/২৫আগস্ট/১৯

Please Share This Post.