একসাথে কাজ করবে এ্যাপটেক এবং এডিএন এডুসার্ভিস


বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ এবং এর জনগোষ্ঠী মেধাবী। এই মেধাবী জনগোষ্ঠীকে দক্ষ এবং যোগ্য করে তুলতে প্রয়োজন যুগপোযোগী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। এবং সঠিক পদ্ধতি তে প্রশিক্ষণ পেলে এদেশের তরুণরা বিশ্ব বাজারে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে অর্জন করবে অভুতপূর্ব সফলতা। কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউশনে এ্যাপটাক এবং এডিএন এডু সার্ভিস আয়োজিত এ্যাপটেক শিক্ষা প্রশিক্ষণ সেবা পন্যের উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্যই করেন বক্তারা। এডিএন গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এডিএন এডু সার্ভিসেস লিমিটেড এবং বিশ্বের অন্যতম আইটি প্রশিক্ষণ এবং এডুকেশন সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাপটেক এর যৌথ উদ্যোগে চারটি শক্তিশালী পাওয়ার ব্র্যান্ড অ্যাপটেক কম্পিউটার এডুকেশন, এরিনা মাল্টিমিডিয়া, অ্যাপটেক হার্ডওয়্যার অ্যান্ড নেটওয়ার্ক একাডেমি এবং অ্যাপটেক ইংলিশ লার্নিং একাডেমি উন্মোচন করেছে এডিএন এডু সার্ভিসেস লিমিটেড।

এ উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এডিএন এডু সার্ভিসেস লিমিটেড। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে অগ্রগামী প্রশিক্ষণ এবং লার্নিং সেবা দিতে কাজ করবে এবং দেশের প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ সেবায় জনবলকে আরও দক্ষ আর সুশিক্ষিত করে তুলতে সর্বোচ্চ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করে আয়োজকরা। এডিএন এডুসার্ভিসেস এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক তপন কান্তি সরকারের সভাপত্তিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী কাজি কেরামত আলী।

গত তিন দশক ধরে বিশ্বের লক্ষাধিক মানুষকে কম্পিউটার সহ অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণে সুদক্ষ করেছে অ্যাপটেক। এছাড়া ও বিশ্বের পাঁচটি মহাদেশে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং আর কারিগরি প্রশিক্ষণে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এ ধরণের প্রশিক্ষণ শুধু ব্যক্তির উন্নয়নে নয়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে। এখন সুযোগ এসেছে তাই এ ধরণের প্রশিক্ষণ পাটর্নারশিপ থেকে বাংলাদেশও উপকৃত হতে পারে।

প্রধান অতিথি হিসেবে কাজি কেরামত আলী বলেন, বাংলাদেশ অফুরন্ত সুযোগের দেশ। সম্ভাবনাময় এ দেশ শিগগির একটি ডিজিটাল এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে রুপান্তরিত হবে। এই ডিজিটাল রূপান্তরের সম্ভাবনার সুফল অজর্ন প্রয়োজন দক্ষ জনবল এবং ডিজিটাল হওয়ার পুরোপুর সুবিধা নিতে শিক্ষিত এবং জনবলকে আরও সুশিক্ষিত ও দক্ষ করে তুলতে হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করবে। সরকার জনবলকে আরও দক্ষ করতে কাজ করছে। এডিএন এডুসার্ভিস এবং অ্যাপটেক-এ দুয়ের যৌথ উদ্যোগে এ ধরণের প্রশিক্ষণের খবর জেনে আমি আনন্দিত। আমাদের দেশীয় জনবল এ ধরণের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবে এবং বিশ্বের বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারবে। সেসাথে এই যৌথ উদ্দ্যোগ সরকারের পাশাপাশি দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরীতে ইতিবাচক ভাবে কাজ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরিতে সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের প্রসংশা করে এডিএন ইডু সার্ভিসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন কান্তি সরকার বলেন দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরীতে এপট্যাকের সহযোগিতায় আমরা আনন্দিত এবং আমরা বিশ্বাস করি এই যৌথ উদ্যোগ দেশের দক্ষ জনগোষ্ঠী তেরীতে গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করবে। এছাড়াও তিনি বলেন গত কয়েক বঃসওে বাংলাদেশের চাকুরীর বাজার সহ জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান ক্যরিয়ার গঠনে সুযোগ সুবিধাও অনেক বেশি। তথ্য প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং মেধা উন্নয়নে বাংলাদেশর অর্থনীতিতে অনতে পারে আমূল পরিবর্তন। প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রয়োগে হাডওয়্যার, নেটওয়াকিং ,মিডিয়া এবং বিনোদনে এনেছে প্রভৃত প্রবৃদ্ধি। যেখানে সুযোগ সৃস্টি হয়েছে অফুরান্ত সময় কেবল তা কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাওয়া। আর এই এগিয়ে যাওয়ার সহযোগিতার উদ্দেশ্যেই এউ যৌথ প্রয়াস।

এ্যাপট্যাপ এর প্রধান নিবাহী অনিল পান্থ বলেন বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ এবং অন্যান্য উন্নয়শীল দেশের মত বাংলাদেশে ও উন্নয়নের দেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মত বাংলাদেশেও উন্নয়নের সম্ভাবনা রয়েছে অপ্রতুল । এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজন মেধাবী এবং দক্ষ জনশক্তি। এবং এদেশের মানুষ মোবাবী কেবল প্রয়োজন দক্ষতার উন্নয়ন। যেখানে আমাদের এই যৌথ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশ্বজুড়ে এ্যাপটেক দক্ষ জনশক্তি তৈরীতে একটি পরিচিত নাম। গুনগত মানসম্পন্ন শিক্ষা, অত্যাধূনিক শিক্ষা উপকরন, শিক্ষা প্রশিক্ষনের শৈল্পিক কৌশল, যুগোপযোগী প্রযুক্তির ব্যাবহার অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক সম্মিলিত প্রয়াসই বিশ্বভ্যাপী এ্যাপট্যাককে দিয়েছে জনপ্রিয়তা।আমাদের উদ্দেশ্য কেবল তরুনদের চাকুরীর উপযোগী দক্ষতা অর্জনে সহযোগীতায়ই নয় বরং বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীকে দক্ষ ও মেধাবী জনগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি পেতে সহায়তা করব। এডিএন এডুসার্ভিসেস লিমিটেড এখন থেকে অ্যাপটেক ইন্টারন্যাশনাল প্রশিক্ষণে বাংলাদেশের ‘এক্সক্লুসিভ পার্টনার’ হিসেবে কাজ করবে। এরই মধ্যে দুদিনের বিটিএল অ্যাক্টিভেশনের জন্য দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ হাজার আগ্রহী শিক্ষার্থীর নিবন্ধন করেছে।

বাংলাদেশে এ্যাপটাকের কার্যক্রম বাংলাদেশের মেধাবী তরুনদের তার পেশাগত দক্ষতা অজর্নে এবং তাদের অন্তর নিহিত মেধা বিকাশে সহযোগীতার মাধ্যমে বিশ্বদরবারে নিজেদের জন্য যোগ্য আসন প্রস্তুতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে বক্তারা মনে করেন । তরুণেরা নিজেদের মতো ক্যারিয়ার গড়তে পারে এ জন্যই অ্যাপটেক এখন নতুন পরিসরে বাংলাদেশে। চাকরি ক্ষেত্রে নতুন নতুন সুযোগ আর সম্ভাবনার কথা বলবে অ্যাপটেক। ধানমন্ডিতে অবস্থিত অ্যাপটেক সেন্টারে আছে সুদৃশ্য আর সুসজ্জিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আন্তর্জাতিক মানের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাই এখানে বিদ্যমান।

অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার, তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান সচিব জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ, এটুআই প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক অথরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম (সচিব), অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা, আইডিয়া প্রকল্পের (জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা) হারুনুর রশিদ, কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যাঞ্চেলর (অ্যাকাডেমিক) ড. নাসরিন আহমেদ।

সিনিউজভয়েস//ডেস্ক/