উন্মুক্ত লাইসেন্সের সম্মেলন ‘ক্রিয়েটিভ কমন্স সামিট’


সারাবিশ্বেই উন্মুক্ত জনপ্রিয় লাইসেন্স ক্রিয়েটিভ কমন্স যা সংক্ষেপে সিসি নামে পরিচিত। কপিরাইট এবং সিসি, এই দুইয়ের লোগো প্রায় একইরকম হলেও দুটি সম্পূর্ণ উল্টোদিকের কাজ করে! কপিরাইট মূলত কোন বিষয়কে ব্যক্তির নিজস্ব হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেয় তেমনি সিসি নিজের কাজকে উন্মুক্ত ভাবে সবাইকে যথাযথ নিয়ম মেনে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। বিশ্বব্যাপী নানা মাধ্যম সিসি লাইসেন্স ব্যবহার করে। বাণিজ্যিক, অ-বাণিজ্যিক, অলাভজনক নানা মাধ্যম সিসি লাইসেন্স ব্যবহার করে যাচ্ছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়াও সিসি লাইসেন্স ব্যবহার করে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সারাবিশ্বে বর্তমানে ১৪০ কোটি সিসি লাইসেন্স ব্যবহৃত হচ্ছে নানা মাধ্যমে। ২০০৬ সাল থেকে শুরু করে ২০১৭ সালের মধ্যেই এ সংখ্যায় পৌঁছেছে সিসি।

প্রতি বছরই সারাবিশ্বে সিসি লাইসেন্স নিয়ে কাজ করা মানুষেরা একস্থানে মিলিত হন। এ নিয়ে বিশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছর এ আয়োজনটি হয়েছে কানাডার টরন্টোতে। নানা ধরনের সৃজনশীল লাইসেন্স দেওয়ার অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ক্রিয়েটিভ কমন্সের (সিসি) এবারের বার্ষিক সম্মেলন টরন্টোর ডেলটা টরন্টো হোটেলে ১৩ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের সম্মেলনে ১৯২টি বিভিন্ন সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ছিল ১১০টি বিশেষ সেশন আলোচনা, ৩টি মূল আলোচনা এবং বিভিন্ন বিষয়ে আলাদা আলাদা সেশন।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন সিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রায়ান মার্কলে। তিনি বলেন, সারাবিশ্বের উন্মুক্ত লাইসেন্সকে ছড়িয়ে দেয়ার কাজ করে যাচ্ছে সিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরা এ বিষয়ে সহযোগিতা করছে। বিভিন্ন খাতের মধ্যে শিক্ষা নিয়ে উন্মুক্ত কন্টেন্টের বিষয়ে বিশেষ নীতিমালা তৈরিতেও সিসি কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন রায়ান।

১৩ এপ্রিল সম্মেলনের প্রথম দিনেই ছিল নানা ধরনের সেমিনার ও কর্মশালা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল সিসি নেটওয়ার্ক স্ট্র্যাটেজি, শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্টের জন্য কপিরাইট বিষয়ের প্রয়োজনীয়তা, হিউমেন্স অব দ্য কমন্স, গ্যালারি, লাইব্রেরি, আর্কাইভস, মিউজিয়াম (জিএলএএম) রাইটস, থ্রিডি প্রিন্টিং এবং ওপেন ইনোভেশন, শিক্ষা, লাইব্রেরি এবং সরকারের জন্য সিসি সার্টিফিকেশন ইত্যাদি। উন্মুক্ত নানা বিষয় নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান মজিলার নির্বাহী পরিচালক মার্ক সারমেন, উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথেরিন মাহের এবং সিসি’র প্রধান নির্বাহী রায়ান মার্কলে বিশেষ এক আলোচনায় মুক্ত কনটেন্ট, এর ব্যবহার এবং নীতিমালার নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশে ওপেননেস কাযক্রম এবং কিভাবে ওপেন পলিসি এ কাজে সহায়তা করতে পারে সে বিষয়ে বিশেষ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এ আলোচনা পরিচালনা করেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক মোস্তফা আজাদ কামাল। এছাড়াও সম্মেলনের প্রথম দিনে উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথেরিন মাহের বিশেষ কি-নোট উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশের নানা কাজের বিষয়ে ক্যাথেরিন মাহের বলেন, ‘বাংলাদেশে যাওয়ার ইচ্ছে আছে। হয়তো কোন সম্মেলন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশে যাব।’ বাংলাদেশে উইকিপিডিয়ার কার্যক্রমের বিষয়েও তিনি বলেন, উন্মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া প্রায় ৩০০ ভাষায় রয়েছে যার মধ্যে বাংলাও একটি। ধীরে ধীরে বাংলা উইকিপিডিয়াও এগিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন ক্যাথেরিন।

সম্মেলনস্থলে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছবি তোলার প্রতিযোগিতা ‘উইকি লাভস মনুমেন্টস ২০১৭’-এর সেরা দশটি ছবির বেশ কয়েকটি প্রদর্শন করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশের আজিম খান রনির তোলা একটি ছবি প্রদর্শিত হয়। প্রথম দিনের আয়োজনে সবশেষে নারীদের উন্মুক্ত লাইসেন্সের বিশেষ উদ্যোগ আনকমন ওমেন’র বিশেষ অনুষ্ঠানে এ ধরনের কাজে নারীদের নেতৃত্ব এবং অ্যাডভোকেসি করার বিষয়টি নিয়েও সম্মেলনে অংশ নেওয়া নারীরা অংশ নেন। আনকমন ওমেনের প্রতিষ্ঠাতা কেলসি মার্কলে বলেন, নারীদের নানা ধরনের উল্লেখযোগ্য কাজগুলোকে তুলে ধরা এবং উন্মুক্ত দুুনিয়ায় নারীদের অবদানকে তুলে ধরতেই কাজ করে আনকমন ওমেন।

উন্মুক্ত লাইসেন্স সার্টিফিকেশন
এবারের সম্মেলনে উন্মুক্ত লাইসেন্সের বিষয়টি আরো সহজ করার জন্য শুরু হয় ক্রিয়েটিভ কমন্স সার্টিফিকেশন কার্যক্রম। সারাবিশ্বে উন্মুক্ত লাইসেন্স হিসেবে সিসি’র ব্যবহার বাড়ার পাশাপাশি যাতে অনেকেই এ লাইসেন্স বিষয়ে আরো বেশি তথ্য জানতে পারে, অভিজ্ঞ হতে পারেন সে চিন্তা থেকেই সিসি সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

এ বিষয়ে সিসি’র প্রধান নির্বাহী রায়ান মার্কলে জানান, ‘উন্মুক্ত লাইসেন্সের নানা বিষয়কে আরো সহজ করতেই সিসি এ সার্টিফিকেশন কার্যক্রম শুরু করলো। এখন চাইলে যে কেউ এ বিষয়ে আরো বেশি জানতে পারবেন, লাইসেন্স নিয়ে কাজ করতে পারবেন এবং প্রাত্যহিক কাজে ব্যবহারও করতে পারবেন।’

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন ১৪ এপ্রিল নানা বিষয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেমিনার, কর্মশালা এবং আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাসুসেটস ইন্সটিটিউট অব আইটি’র (এমআইটি) লাইব্রেরির পরিচালক ক্রিস বোর্গ ওপেন একসেস বিষয়ে বিশেষ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। পরে এ বিষয়ে বিশেষ আলোচনায় অংশ নেন মজিলা ফাউন্ডেশনের গ্লোবাল পার্টিসিপেশন লিড আমিরা ধাল্লা এবং ইউনিভার্সিটি অব গোয়েলফের গবেষণা বিভাগের প্রধান অ্যামি ব্যাকল্যান্ড। বক্তারা কেন তথ্য ওপেন একসেসে থাকা উচিত এবং তার সুফল কিভাবে সকলে পেতে পারে সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। ক্রিস বোর্গ এমআইটিতে নিজের কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরেই ওপেন একসেস নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে এমআইটিতে চালু হয়েছে এমআইটি টাস্ক ফোর্স অন ওপেন একসেস। এমআইটিতে গবেষণার ক্ষেত্রে যা দারুন সহযোগিতা করছে।

এছাড়া দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত উল্লেখযোগ্য আয়োজনের মধ্যে ছিল ওপেন ডেটা এবং ওপেন রিসার্স বিষয়ে আলোচনা, ট্রান্সলেশন ওয়ার্কিং গ্রুপের বিশেষ কর্মশালা, ওপেন লাইসেন্সিং ফর পাবলিক গুডস বিষয়ে আলোচনা, ব্রিজিং দ্য গ্যাফ অন ক্রিয়েটিভ কমন্স ইন ডেভলপিং কান্ট্রি শীর্ষক সেমিনার, স্ট্র্যাকচার ডেটাবেস নিয়ে বিশেষ কর্মশালা, দ্য ফিউচার অব ডিজিটাল আর্কাইভস শীর্ষক পর্ব, সিসি ওপেন এডুকেশন প্ল্যাটফর্ম নিয়ে অনলাইন মিটিং ইত্যাদি।

এছাড়া উন্মুক্ত শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে লিভারেজিং গ্লোবাল ওপেন এডুকেশন এচিভমেন্ট শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন অধ্যাপক মোস্তফা আজাদ কামাল। এ পর্ব পরিচালনা করেন সিসি ওপেন এডুকেশনের পরিচালক ক্যাবল গ্রিন। মোস্তফা আজাদ কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশে ওপেন এডুকেশন রিসোর্স নীতিমালার কাজ শেষ হয়েছে যা খুব শিগগিরই অনুমোদন পাবে। এ নীতিমালা হয়ে গেলে বাংলাদেশেও ওপেন এডুকেশনের কাযক্রম আরো বাড়বে এবং সরকারের অর্থে তৈরি শিক্ষা উপকরণ সমূহ আরো সহজলভ্য হবে।’ বাংলাদেশে যে এ নীতিমালা হচ্ছে সে বিষয়টি নিয়েও সম্মেলনে আলোচনা হয় এবং বিভিন্ন দেশের ওপেন এডুকেশন বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

বাসেল খার্তাবিল ফেলোশিপ
এবারের সম্মেলনে প্রথম বারের মতো ‘বাসেল খার্তাবিল ফ্রি কালচার ফেলোশিপ’ প্রদান করা হয়। এবার এ ফেলোশিপ পেয়েছেন ফিলিস্তিন-সিরিয়ান প্রকৌশলী মাজিদ আল-শিহাবী। তিনি বলেন, ‘আমি খুশি প্রথমবারের মতো এ ফেলোশিপ পেয়ে। আমার লক্ষ্য থাকবে ফেলোশিপকে কাজে লাগিয়ে উন্মুক্ত দুনিয়ার জন্য দারুন কিছু কাজ করতে পারবো।’ ৫০ হাজার ডলার মূল্যমানের এ ফেলোশিপ উন্মুক্ত লাইসেন্স, উন্মুক্ত নানা বিষয় নিয়ে কাজ করা একজনকে প্রতি বছর দেওয়া হবে। এ ফেলোশিপটি যৌথ ভাবে সিসি, উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন, মজিল ফাউন্ডেশন, গ্লোবাল ভয়েসসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত বিষয় নিয়ে কাজ করা সংগঠনের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। ফেলোশিপের পাশাপাশি দ্য বাসেল খার্তাবিল মেমোরিয়াল ফান্ডের আওতায় ১০ হাজার ডলার মূল্যমানের ফেলোশিপ পেয়েছে মিশনের সিটিজেন জার্নালিজম নিয়ে কাজ করা গ্রুপ ‘দ্য মসিরিন কালেক্টিভস’, আরবের বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্য ও তথ্য সংগ্রহকারী সংস্থা ‘সার্ক ডট ওআরজি’ এবং ‘দ্য আর ডিজিটাল এক্সপ্রেশন ফাউন্ডেশন’।

প্রথমবারের মতো বাসেল খার্তাবিল ফেলোশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে রায়ান মার্কলে বলেন, ‘মুক্ত লাইসেন্স ও উইকিপিডিয়া নিয়ে কাজ করা সিরিয়ান নাগরিক বাসেল খার্তাবিল ২০১৫ সালে সিরিয়ান সরকার দ্বারা অবহৃত হন এবং তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়। সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করা এবং উন্মুক্ত বিষয় নিয়ে কাজ করায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরে প্রমাণিত হয়। তাঁর স্মৃতি ধরে রাখতেই এ ফেলোশিপ চালু করা হয়।’

তিনি উল্লেখ করেন, আমরা খুশি যে বাসেলের স্মৃতি ধরে রাখতে এমন একটি উদ্যোগ শুরু হয়েছে। সম্মেলনে অংশ নেওয়া গ্লোবাল ভয়েসের বিশেষ প্রকল্প রাইজিং ভয়েসের পরিচালক এডি এভিলা বলেন, আন্তর্জাতিক ভাবে জনপ্রিয় ব্লগিং প্লাটফর্ম গ্লোবাল ভয়েস সিসি লাইসেন্স ব্যবহার করে। আর এখানেও সারাবিশ্বের নানা ভাষায় ব্লগিং করার সুযোগ পাচ্ছেন ব্লগাররা। এ বিষয়গুলো তুলে ধরা এবং সিসি লাইসেন্সের বিষয়টি নিয়ে সম্মেলনে অনেকের সাথেও আলোচনা হয়েছে। গ্লোবাল ভয়েসে বাংলা ভাষার সংস্করণও বেশ জনপ্রিয় উল্লেখ করেন তিনি।

সম্মেলনের শেষ দিনে ১৫ এপ্রিল ছিল নানা আয়োজন। এতে আন্তর্জাতিক ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি (আইপি) আইন এবং আন্তর্জাতিক ইকোনোমিক রেগুলেশন বিষয়ে বিশেষ আলোচনা করেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের অধ্যাপক এবং ব্রেকমেন-ক্লেইন সেন্টারে উপ-পরিচালক ড. রুথ এল ওকেডিজ। তিনি তার উপস্থাপনায় আইপি আইনের নানা দিকের ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। পরে এ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেন অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় কপিরাইট পরিচালক ডেলিয়া ব্রাউন, কপিরাইট আইন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মিশেল গেইস্ট, পর্তুগালের এটর্ন-এল-ল তেরেসা নোবরে। বক্তারা আইপি আইনের বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করে এ ব্যবহারের নানা বিষয় তুলে ধরেন। এছাড়া সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর প্রতিনিধিদের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশ ছাড়াও নেপাল, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, হংকং, তাইওয়ান, মঙ্গোলিয়া ও চীনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় সিসি এশিয়ার সমন্বয়ক সোয়ুন পে অংশ নেন এবং বাংলাদেশের পক্ষে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক মোস্তাফা আজাদ কামাল এবং আমি যোগ দেই। সভায় এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সিসি কাযর্ক্রমকে আরো বাড়ানো এবং আন্ত:সমন্বয়ের বিষয়টি কিভাবে আরো বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এ বিষয়ে সোয়ুন পে বলেন, ‘এশিয়ার নানা দেশ এখন সিসি নিয়ে উল্লেখযোগ্য নানা ধরনের কাজ করে যাচ্ছে। নিজেদের মধ্যে কিভাবে আরো আন্ত:সমন্বয় বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আশা করছি খুব শিগগিরই এ বিষয়ে আরো কাজ করা যাবে।’ সম্মেলনের সমাপনী পর্বে আগামী বছর পর্তুগালে সিসি সামিট ২০১৯’র ঘোষণা দেন রায়ান মার্কলে।

 

– নুরুন্নবী চৌধুরী (হাছিব): প্রশাসক, বাংলা উইকিপিডিয়া ও প্রতিষ্ঠাতা, সেন্টার ফর ওপেন নলেজ