উন্নত সুবিধা প্রদানে বাংলাদেশে কোকা-কোলার কলসেন্টার

 

কোলা-কোলা বাংলাদেশ গ্রাহকদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করার জন্য ঢাকায় নতুন কল সেন্টার এর উদ্বোধন করছে। বাংলাদেশে কোকা-কোলার গ্রাহকরা ৭ জুন ২০১৬ থেকে কোম্পানির কোনো পণ্য বা  প্রমোশনাল ক্যাম্পেইন সম্পর্কে পরামর্শ বা অভিযোগ এই কল সেন্টারের মাধ্যমে জনাতে পারবেন। প্রতি রবি  থেকে বৃহস্পতি সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ০৮০০০-৭০০ ৭০০ নম্বরে উপস্থিত থাকবেন কোকা-কোলার প্রতিনিধিরা দেশব্যাপী গ্রাহকদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য ।

০৮০০০-৭০০ ৭০০ নম্বরে কোলা-কোলা বাংলাদেশের কল সেন্টারটি হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং সুদৃঢ় অবকাঠামোর বহিঃপ্রকাশ। যা গ্রাহকদের তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রাহকদের সঙ্গে কোকা-কোলার সর্ম্পকের উন্নয়নেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কল সেন্টার এর উদ্বোধনে কোকা-কোলা বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাদাব খান বলেছেন, “আমাদের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য বিভিন্ন মাধ্যমের সমৃদ্ধি ও বৈচিত্রের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা থেকে এই কল সেন্টারে আমরা  বিনিয়োগ করেছি। গ্রাহকদের সঙ্গে কোম্পানিকে সম্পৃক্ত করার জন্য পানীয় ব্র্যান্ডের মধ্যে আমরাই প্রথম কল সেন্টার চালু করেছি। কোকা-কোলার গ্রাহকরা আমাদের কাছে যে গুণগতমান এবং স্বাদ আশা করেন,  সেটা তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। কোকা-কোরার গ্রাহকরা এখন উন্নত অভিজ্ঞতা ও শ্রেষ্ঠ সেবার প্রত্যাশা করতে পারেন, যা আমাদের প্রতিনিধিবৃন্দ প্রদান করার আপ্রান চেষ্টা করবেন।”

কোকা-কোলা নিরাপদ, সুস্বাদু, গুণগতমান সম্পন্ন পানীয় গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।। কাঁচামাল থেকে শুরু করে উৎপাদন, বিতরণ এবং ডেলিভারি পর্যন্ত এই কোম্পানি খাদ্যের নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং স্বাস্থ্যবিধির সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করে। এই নতুন কল সেন্টার এই প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করে। এছাড়াও দেশব্যাপী গ্রাহকরা কোকা-কোলার চির পরিচিত সেই স্বাদের সঙ্গে পরিচিত এবং যে স্বাদ তারা ভালোবাসে সেটিকে উপভোগ করতে পারে, তাও সুনিশ্চিত করে এই কল সেন্টার।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য কোকা-কোলা বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, সম্প্রতি চালু হওয়া টোল ফ্রি কাস্টমার কেয়ার ছাড়াও বাংলাদেশী গ্রাহকরা কাস্টমার হেল্পলাইন newsdesk@coca-cola.com এর মাধ্যমে কোকা-কোলার সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারতেন। এই ধরনের সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে কোকা-কোলার পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও গ্রাহকরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও কোকা-কোলার সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন।

গ্রাহকদের প্রতিটি প্রশ্নই খুবই গভীরভাবে মূল্যায়ন করা হয় এবং ই-মেইল, ফোন কল এবং প্রয়োজনে সরাসরি সাক্ষাতের মাধ্যমে যথাযথ এবং উপযুক্ত উত্তর দেয়া হয়। কোকা-কোলার সঙ্গে গ্রাহকদের সক্রিয়তা বৃদ্ধির জন্য কোকা-কোলা ভারত ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোতে কনজ্যুমার রেসপন্স কোঅরডিনেটরস (CRC) নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। এছাড়াও বর্তমান পদ্ধতিগুলোর ধারাবাহিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিতভাবে সবকিছুর পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বিশ্বজুড়ে কোকাকোলার ব্যবসায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তাদের গ্রাহকরা। গ্রাহকদের পছন্দের অগ্রাধিকারই কোকা-কোলার ব্যাবসার প্রধান লক্ষ্য, যেখানে গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য সরবারহ ও লাভজনক ব্যাবসার মাধ্যমে কোকা-কোলা গড়ে তুলেছে একটি সত্যিকারের অংশীদারিত্বমূলক সর্ম্পক যার মাধ্যমে উভয়ই পক্ষেরই স্বার্থ অক্ষুন্ন রয়েছে। গ্রাহকদের সঙ্গে নিয়ে বাজারে নিজের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে কোকা-কোলা তার সব ধরনের গ্রাহকদের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.