ই-ক্যাব’র ৪র্থ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য একটি ‘ই-সেবা কেন্দ্র’ তৈরি, নিজস্ব অফিস প্রতিষ্ঠা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে পুরোপুরি অনলাইনমুখী করার অভিপ্রায় নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) ৪র্থ বার্ষক সাধারণ সভা। সম্প্রতি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসর্টি) বিভাগের  সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এই সভা।
সংগঠনের সভাপতি শমী কায়সারের সভাপতিত্বে সভায় গত এক বছরের কার্যবিবরণী উপস্থাপন করেন ই-ক্যাব সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল আগামীর কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
বার্ষিক আর্থিক বিবরণী উপস্থাপন করেন অর্থসম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হক অনু। এসময় তিনি চলতি অর্থ বছরের (২০১৯) জন্য অডিটর নিয়োগ ও তাদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। কণ্ঠভোটে সর্ব নিম্ন দরে অডিটর নিয়োগ প্রস্তাবনা পাশ হয়।
সভায় ই-ক্যাব সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমাল জানান, গত এক বছরে ৩০টির অধিক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে ই-ক্যাব। বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে ই-ক্যাব সদস্যদের জন্য পোস্টাল সেবা ও ই-পোস্ট সেবা চালু, ডিজিটাল কমার্স নীতিমালার গেজেট আকারে প্রকাশ এবং বাজেটে সর্বোচ্চ সুবিধা প্রাপ্তিতে সফল হয়েছে। তিনি আরো জানান, গত বছর ই-কমার্স সেবা দিবসে ৫০০ পোস্ট অফিসে ই-কমার্স সেবা সেন্টার চালু ও কর্মীদের প্রশিক্ষণ, গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘ডাক গাড়ি সেবা’ চালু, বিপিসি’র মাধ্যমে ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ হাজার উদ্যোক্তাকে ১১ দিনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা রাজধানীর বাংলামোটরে ই-ক্যাব ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করে এ পর্যন্ত ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা আরো সহজীকরণ করতে বাংলাদেশে ব্যাংকের সঙ্গে কাজ চলছে।
স্ট্যান্ডিং কমিটির মাধ্যমে দেশের ই-কমার্স খাতের প্রতিটি ধাপে সুনির্দিষ্ট উন্নয়নে কাজ অব্যহত রয়েছে। চলতি বছরে খাত ভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ণে কাজ করবে ই-ক্যাব।
সভায় সদস্যদের পক্ষে আজকের ডিল প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাশরুর বলেন, সংগঠন ও সদস্যদের সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে ই-ক্যাব অল্প সময়ে যে উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। আগামীতে ডিজিটাল মার্কেটিং-এর জন্য ফেসবুক এর মতো ডিজিটাল মিডিয়ায় ব্যয় করা টাকার কর প্রদান বিষয়টি সহজীকরণ এবং প্রক্রিয়াটি যেন মানিলন্ডারিংয়ের মতো ঝুঁকিতে না পড়ে সে বিষয়ে ই-ক্যাব বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, ই-ক্যাব সদস্যদের এমন কিছু করা দরকার যেন ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশে কেবল ভোক্তাদের বাজারে পরিণ হয়ে যায়। ব্যবসায় নিজস্ব ভ্যালু যোগ করে নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করা যায়।
সভায় ই-ক্যাব যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসিমা আক্তার নিশা, পরিচালক শাহাব উদ্দীন ও ই-ক্যাব সদস্য সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
-সিনিউজভয়েস/জিডিটি/০৩এম/১৯
Please Share This Post.