ই-কমার্স খাতে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি বেসিসের

জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০২০ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় দেশের সফটওয়্যার খাতের সংগঠন বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে অনলাইনে কেনাকাটা এখনো পৌঁচ্ছায়নি বলে এখনি অনলাইন কেনাকাটায় ভ্যাট আরোপ করলে ক্রেতা বিমুখ হবে। তাই ই-কমার্স খাতে এখনো ভ্যাট আরোপের সময় আসেনি। আগামী পাঁচ বছর ই-কমার্স খাতকে ভ্যাটের আওতা মুক্ত রাখা হোক।

গতকাল সফটওয়্যার খাতের সংগঠন বেসিস, হার্ডওয়্যার খাতের সংগঠন বিসিএস, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন (আইএসপিএবি) ও কল সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন (বাক্য) যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে। এতে বাজেট বিষয়ে সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হয়।

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বক্তারা বলেন, বাজেটে গত অর্থবছরের চেয়ে এ বছর ২১৭৬ কোটি বেশি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে যা দক্ষ জনবল তৈরি ও অবকাঠামো তৈরির পরিকল্পিতভাবে ব্যয় করলে সুফল পাওয়া যাবে। ব্যবসায়ী পর্যায়ে কম্পিউটার ও যন্ত্রাংশের ওপর মূসক অব্যাহতি ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ১০০ কোটি বরাদ্দ রাখার বিষয়টি ইতিবাচক। তবে ই-কমার্সসহ কয়েকটি খাতে তাঁরা ভ্যাট প্রত্যাহার চান ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এবারের বাজেটে সোশ্যাল মিডিয়া ও ভার্চ্যুয়াল ব্যবসায় সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাটের কথা বলা হয়েছে। দেশের ই-কমার্স খাতকে ভার্চ্যুয়াল ব্যবসার ভেতরে ফেলায় নতুন এ খাতটির অগ্রগতির জন্য তা বাধার সৃষ্টি করবে। এ খাতে তাই ভ্যাট অব্যাহতির দাবি জানান তারা। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি সেবার ওপর ৫ শতাংশ আরোপিত মূসক প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয়।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শাহিদ-উল-মুনীর বলেন, কম্পিউটার ও কম্পিউটার যন্ত্রাংশে ও হার্ডওয়্যার পণ্যে ৫ শতাংশ আগাম কর অব্যাহতি প্রয়োজন। ২৪ ইঞ্চি পর্যন্ত মনিটরের ওপর মূসক প্রত্যাহারের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। এ ছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার সংজ্ঞায় হার্ডওয়্যারকে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ফাইবার অপটিক ক্যাবলের ওপর ৫ শতাংশ রেগুলেটরি ডিউটি আরোপ এ ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করবে। এ খাতে ডিউটি শূন্য করার দাবি জানায় আইএসপিএবি। এ ছাড়া এনটিটিএন সংযোগে ভ্যাট মওকুফের আহ্বান জানানো হয়।

সিনিউজভয়েস/জিডিটি/জুন১৬/১৯

Please Share This Post.