ইউরোপিয়ান আদলে ঢাকার রাস্তায় আনিসুলের এলইডি লাইট

প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক সর্বদাই ভাবতেন কি ভাবে ঢাকা শহরকে একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহরে পরিনত করা যায়। তার একটি ইচ্ছা ছিল ঢাকা উত্তরের রাস্তায় এলইডি বাতি স্থাপন করা। কিন্তু কাজ পুরোপুরি  শেষ না হতেই  চলে যান না ফেরার দেশে। অবশেষে ইউরোপিয়ান আদলে ঢাকার রাস্তায় চালু হচ্ছে এলইডি লাইট  সিস্টেম। যদিও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় আগেই বসেছে এলইডি বাতি। এবার শুরু হয়েছে উত্তরের সড়ক আলোকিত করার কাজ।

 

রাজধানীর গুলশান-বনানী-বারিধারা এলাকার সড়কে স্থাপন করা হচ্ছে জার্মানির ভলকান কোম্পানির অত্যাধুনিক এলইডি বাতি। বাতিগুলোতে আছে  ১০ বছরের গ্যারান্টি। সম্পূর্ণ জার্মানিতে তৈরি লাইটগুলো রাস্তার এক প্রান্ত থেকে শুরু করে পুরো ফুটপাথ পর্যন্ত প্রায় সমানভাবে আলো ছড়ায়। এই লাইটগুলোর আলো অন্যান্য  এলইডি লাইট থেকে আলাদা রঙের। প্রতিটি লাইট ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ তাদের মোবাইল থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন এবং কোনো লাইটে সমস্যা দেখা দিলে মুহুর্তের মধ্যে কন্ট্রোল রুমে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জানতে পারবেন। মোট ৩ হাজার ৩৪৩টি বাতি আনা হয়েছে। প্রতিটি এলইডি বাতির খরচ পড়ছে ৪৭ হাজার টাকা। পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হচ্ছে ২৫ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে ডিএনসিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) রফিকুল ইসলাম  বলেন, প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০টি করে বাতি বসানো হচ্ছে। আর পুরনো বাতিগুলো ডাম্পিংয়ে রাখা হচ্ছে, পরে করপোরেশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করা হবে।

বনানী থেকে চেয়ারম্যানবাড়ি হয়ে জাহাঙ্গীর গেটের সামনে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের সড়কে ল্যামপোস্টে এলইডি বাতি স্থাপন করা হয়েছে। তবে এখনই ডিএনসিসির সব ওয়ার্ডে জ্বলবে না এলইডি বাতি। এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০১৯ সালের শেষ পর্যন্ত।

সিনিউজভয়েস/