আশাব্যঞ্জক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও রবি’র লোকসান ২৮০ কোটি টাকা

ডেটা ও ভয়েস সেবার মূল্য নিয়ে বাজারে তীব্র অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে ২০১৭ সালে তাদের ব্যবসায়িক ফলাফলে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি করেছে রবি।

গ্রাহক ও রাজস্ব উভয় ক্ষেত্রে আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি সত্ত্বেও ২০১৭ সালে রবি কোন মুনাফা করতে পারেনি। নেটওয়ার্ক উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগের পাশাপাশি বাজার, রেগুলেটরি ও পরিচালন সংক্রান্ত কয়েকটি কারণে ২০১৭ সালে রবি’র মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮০ কোটি টাকা।

বর্তমান ত্রুটিপূর্ণ মূল্য কাঠামোর কারণে পণ্য ও সেবার আগ্রাসী মূল্য নির্ধারণ এবং এক খাতের আয় দিয়ে অন্য খাতের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে বাজারে। ফলে বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা না থাকায় চলমান সংকট আরো ঘনীভূত হচ্ছে।

সর্বোপরি উচ্চ করারোপের ফলে তুলনামূলক ছোট কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক ফলাফলে চাপ তৈরি হচ্ছে। ফোরজি’র যুগে প্রবেশ করেছে দেশ। কিন্তু রবি’র ব্যবসায়িক ফলাফল এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ডিজিটাল বিপ্লব আনতে মোবাইল ফোন অপারেটরদের বিনিয়োগের সক্ষমতা ক্ষীণ হয়ে আসছে।

রবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, “দেশের সেরা নেটওয়ার্কে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে রবি। ফোরজি ও এমএনপি নিয়ে আলোচিত এই সময়ে আমাদের বিশ্বাস, আমরা আমাদের গ্রাহকদের আরো ডেটা স্পিড ও শক্তিশালী নেটওয়ার্ক প্রদান করতে পারব। ‘ইয়ুথ ব্র্যান্ড’ হিসেবে এয়ারটেল ও ‘ডিজিটাল’ ব্র্যান্ড হিসেবে রবি প্রতিষ্ঠা পাওয়ায় ২০১৭ সালে আমাদের গ্রাহক সংখ্যা ২৬ দশমকি ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।”

নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনায় তাদের বাড়তি ব্যয়ের কারণে ১৯ শতাংশ মার্জিনসহ পরিচালন মুনাফার (ইবিআইটিডিএ) পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

বছরটিতে সারাদেশে টুজি এবং থ্রিজি নেটওয়ার্ক বিস্তৃতিতে তাদের মূলধনী বিনিয়োগ ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। বিদায়ী বছরে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা ২ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা দিয়েছে রবি, যা তাদের মোট আয়ের ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ।

সিনিউজভয়েস//ডেস্ক/

Please Share This Post.