আইটি সাংবাদিকদের সঙ্গে চালডাল টিমের মতবিনিময়

বাংলাদেশ আইটি জার্নালিষ্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) এর সাংবাদিকদের সঙ্গে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অনলাইন ই-কমার্স (গ্রোসারি শপ) চালডাল টিমের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ জানুয়ারি,বাংলামোটরে বিআইজেএফ এর হলরুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চালডালের সিইও ওয়াসিম আলিম, সিওও জিয়া আশরাফ ও কো-ফাউন্ডার আইটি স্পেশালিষ্ট তেজাস বিশ্বানথসহ চালডালের টিম এবং বিআইজেএফ এর সদস্য সহ বিভিন্ন পত্রিকা, টিভি সাংবাদিকবৃন্দ।

২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করা এ প্রতিষ্ঠানটি (chaldal.com) মার্কেটের থেকে কমদামে পণ্য বিক্রি, ফরমালিন বা বিষমুক্ত ফ্রেশ পণ্য সরবরাহ এবং সঠিক সময়ে পণ্য ডেলিভারি করায় ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

চালডালের সিইও ওয়াসিম আলীম জানালেন, চালডালের বর্তমানে ছয়টি বড় বড় ওয়্যারহাউজ আছে সারা ঢাকায়। ফলে যেকোনো পণ্য অর্ডার করার এক ঘন্টার মধ্যে পৌঁছে যায় ক্রেতার দরজায়। ২০০ টাকা ওপরে যেকোনো পণ্য কিনলে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য চালডালকে কোনো অতিরিক্ত ফিও দিতে হয় না। ২০০ টাকার নিচে পণ্য কিনলে অতিরিক্ত ফি ৪০ টাকা।

ওয়াসিম আরো বলেন, ‘চালডালের নিজস্ব পরিবহণ ব্যবস্থা আছে। ফলে যখনই কোনো পণ্যের অর্ডার আসে তখনই আমাদের কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিরা সেই ক্রেতাকে ফোন দিয়ে অর্ডার কনফার্ম করেন। সারা ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ওয়্যারহাউজ থাকায় এটি আরো সহজ হচ্ছে। বাংলাদেশে একমাত্র আমারই এ সুবিধা দেই।’

চালডালের সিওও জিয়া আশরাফ বলেন, ‘সময় নষ্ট করে বাজার করা, অনেক বাজার বাড়িতে বয়ে আনা, পণ্যের সঠিক দাম না জানা, পণ্যে মান ঠিকমতো বুঝতে না পারা বা নিজের পছন্দের যেকোনো পণ্য কিনতে না পারাসহ এই সকল সমস্যার সমাধানে রয়েছে চালডাল ডটকম।’

তিনি আরো জানান, বিশ্বসেরা উদ্যোক্তা সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ওয়াই কম্বিনেটরের সেরা নতুন উদ্যোগের তালিকায় সম্প্রতি জায়গা পেয়েছে চালডাল। যা চালডালকে যেমন সারা বিশ্বে পরিচিতি দিয়েছে তেমনি বিশ্ব দরবারে উঁচু হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এছাড়া সম্প্রতি দেশের সেরা ১৫ টেক পারসোনালিটিস-এর তালিকায় জায়গা পেয়েছেন চালডালের সিইও ওয়াসিম আলীম, যা প্রমান করে চালডাল কতো ভালো মানের কাজ করছে। চালডালের এই এগিয়ে চলায় সঙ্গী হয়েছে বাংলাদেশ সরকারও। সরকারে এটুআই প্রজেক্ট কর্তৃক আয়োজিত সকল মেলাগুলোতে থাকছে চালডালে স্টল এবং প্রশংসিত হয়েছে চালডালের উদ্যোগ।

কো-ফাউন্ডার তেজাস বিশ্বনাথ জানান, তিনি দেশের বাইরে থাকলেও সবসময় চালডালের জন্য কাজ করে চলেছেন। চালডালের ওয়েবসাইট দেখাশোনা, চালডালের নিজস্ব অ্যাপ তৈরি, ডেলিভারিম্যানদের লোকেট করার অ্যাপ তৈরিসহ নানা কাজ আমেরিকাতে বসেই করছেন তিনি। চালডালকে কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তার পরিকল্পনার জন্যই ঢাকায় এসেছেন বলে জানান তিনি। বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন চালডালের প্রতিষ্ঠাতারা।

 

– সিনিউজভয়েস ডেস্ক

Please Share This Post.