‘অ্যারাইজ’প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের সনদ বিতরণ

স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ “অ্যারাইজ” প্রোগ্রাম সম্পন্নকারী ৭২ জন গ্রাজুয়েটের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ করে। অ্যারাইজ (অ্যাডভান্সড রিপেয়ার এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্কিল এনহ্যান্সমেন্ট) হচ্ছে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ৬ মাসের দীর্ঘ মেয়াদী মৌলিক কারিগরি দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব উন্নয়নের একটি প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের আওতায় স্যামসাং বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ উপাদান দিয়ে ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরিটিকে নতুন করে সাজিয়েছে।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মহাপরিচালক অশোক কুমার বিশ্বাস বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার চুন সু মুনসহ অন্যান্য সিনিয়র কর্মকর্তাগণ।

স্যামসাং তার ক্রিয়েটিং শেয়ারড ভ্যালু প্রোগ্রাম এর অংশ হিসেবে স্যামসাং ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বাধুনিক ও উন্নতপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ ল্যাব এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ট্রেনিং প্রদানের জন্য ক্লাসরুম স্থাপন করে। কোর্স সম্পন্ন হওয়ার পর শিক্ষার্থীদেরকে স্যামসাংয়ের সার্ভিস সেন্টারে ১ মাসের ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ দেওয়া হয়। এই প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশের সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রির জন্য দক্ষ জনশক্তি এবং কর্মসংস্থান তৈরি, বিশেষ করে কারিগরী ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজে অবদান রাখা। স্যামসাং এই সেক্টরের চাহিদানুযায়ী “অ্যারাইজ” প্রোগ্রামের মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রি ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি সংযোগ স্থাপন করতে চেষ্টা করছে। প্রাথমিকভাবে ৭৫ জন ছাত্র এই ডিপ্লোমা প্রোগ্রামে ভর্তি হয়, যাদের মধ্যে ৭২ জন পাস করে সার্টিফিকেট গ্রহণ করে। ইতোমধ্যেই ৩২ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরী পেয়েছেন, যার মাঝে ১২ জন স্যামসাং সার্ভিস সেন্টারে কর্মরত।

স্যামসাংয়ের সার্ভিস সেন্টারে কর্মরত “অ্যারাইজ” প্রোগ্রাম এর একজন গ্রাজুয়েট রাজিব আহমেদ বলেন,  আমি গ্রাজুয়েশন পরবর্তী বর্তমান বাজারে চাকরি পাওয়া নিয়ে সবসময় দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু স্যামসাং এর তত্ত্বাবধানে “অ্যারাইজ” প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার পর স্যামসাং এর সার্ভিস সেন্টারেই আমি চাকরী পাই। কোর্স সম্পন্ন করার পরপরই চাকরি পাওয়া ছিল আমার জন্য একটি বিশাল ব্যাপার।

বেঙ্গল কমিউনিকেশনস এ কর্মরত আরেকজন গ্রাজুয়েট ওমর ফারুক রাসেল বলেন, এ ধরনের সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে অনেক ধন্য মনে করছি। প্রায়ই আমরা অন্যদের সাহায্যে নিজেদের ভিতরের সুপ্ত ক্ষমতা বুঝতে পারি। এই “অ্যারাইজ” প্রোগ্রামটি চাকরির বাজারে নিজেদের সক্ষমতা প্রমানে আমাদেরকে সাহায্য করেছে।

-সি-নিউজভয়েস

Please Share This Post.