অপো রেনো স্মার্টফোনে থাকছে অ্যামোলেড ডিসপ্লে

অপো রেনো এবং রেনো ১০এক্স জুম এর ডিসপ্লে নিয়ে বর্ননা করতে বৃহদায়তন, উজ্জ্বলতর আর চমকপ্রদ এই তিনটি মাত্র শব্দই যথেষ্ট।  অপো রেনো’র কেবল তার ক্যামেরার জন্যেই অনন্য নয়, বলবার মতো অনেক কিছুই আছে এর ডিসপ্লে নিয়েও।

অপো রেনো ত্র ৬.৪ ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং রেনো ১০এক্স জুম এ থাকা ৬.৬ ইঞ্চি অ্যামোলেড ডিসপ্লে হিসেবে থাকছে ১৯.৫:৯ রেশিওর স্ক্রিন, ২৩৪০*১০৮০ পিক্সেলের রেজ্যুলুশন।  ডিসপ্লেটি মজবুত করতে এতে থাকছে গরিলা গ্লাস ৬।  এছাড়াও অপো রেনো তে থাকছে ৯৩.১% বডি টু স্ক্রিন রেশিও যা বর্তমানে বিশ্বে সর্বোচ্চ রেশিও সমৃদ্ধ ফোনগুলোর একটি।  যদিও অপো  রেনো এর ব্রাইটনেস রেটিং প্রকাশ করেনি, তবুও যেহেতু এটি ডিসিআই-পি৩ স্ট্যান্ডার্ড, তাই এর ডিসপ্লে যে বাজারের অন্যান্য স্মার্টফোন থেকে উজ্জ্বলতর হবে এটি বিনা দ্বিধায় বলা চলে।  যেহেতু এটি অ্যামোলেড স্ক্রিন এবং ডিসিআই-পি৩ স্ট্যান্ডার্ড তাই দিনের আলোতে সরাসরি সূর্যের আলোতেও এর ডিসপ্লে থাকবে স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল। এছাড়াও এই ডিসপ্লেতে টেক্সট অধিক স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।  আর এটির বড় স্ক্রিন বিশেষ করে ভিডিও দেখা এবং গেম খেলবার জন্যে খুবই উপযোগী।

অপো রেনো এর ডিফল্ট ডিসপ্লে সেটিং চোখের উপর কোন চাপ না ফেলেই অধিক উজ্জ্বল ভাবে ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিয়েন্স দিয়ে থাকে, তারপরও এতে থাকছে ডিসপ্লে অপশন পরিবর্তনের বেশ কিছু সুযোগ, যার মাধ্যমে প্রত্যেকেই তার উপযোগী করে নিতে পারেনে এর ডিসপ্লে।  স্লাইডারের মাধ্যমে ডিসপ্লে এর কালার টেম্পারেচার কুল থেকে ওয়ার্ম করার সুযোগ থাকছে এতে।  এছাড়াও এতে থাকছে স্ক্রিন কালার মোড।

সাধারণ বড় ডিসপ্লে ব্যাটারি লাইফের জন্যে এক বিশাল হুমকি।  তবে এই দুশ্চিন্তা থেকে বেশ মুক্তই থাকবেন অপো রেনো ব্যবহারকারীরা। অপো রেনো তে থাকছে ৩৭৬৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার এবং অপো রেনো ১০এক্স জুম এ থাকছে ৪০৬৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি।  আর ব্যাটারি দ্রূত চার্জ করতে এতে থাকছে ভুক ৩.০ ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির চার্জার।

অপো রেনো তে বেজেল এতোটাই কম যে প্রথম দেখাই মনেই হয়না এর কোন রিম আছে।  তবে ভালো করে তাকালে তবেই চোখে পড়ে এর নিচে ও উপর দিকে থাকা সরু কিনারা।

হাত থেকে পতন কিংবা আঘাত থেকে ফোনকে সুরক্ষা দিতে অপো রেনোতে রয়েছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির গরিলা গ্লাস ৬ এমনকি ফোনটির ব্যাক কাভারেও রয়েছে গরিলা গ্লাস।  বাজারের অন্যান্য ফোনের চেয়ে রেনো যে আলাদা এর প্রমাণ মেলে এতে কোন ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার না থাকায়, তবে ভয় নেই, রেনোর ডিসপ্লেতেই স্থাপন করা হয়েছে ‘গুডিক্স’ এর ইন স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর যা বিশ্বের মাত্র ৪০ টি স্মার্টফোন মডেলে স্থাপন করা হয়েছে।  ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি গুডিক্স এর দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় প্রজন্মের সেন্সর হবে বলে জানা গেছে আর তাই অপোর মতে বাজারে থাকা যেকোন ফোনের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নিখুঁত এবং ৩০% কম সময়ে ফোন আনলক করতে সক্ষম।

-সিনিউজভয়েস/জিডিটি/জুন১১/১৯

Please Share This Post.