অগমেন্টেড রিয়েলিটি

এখনই কোনো কোনো স্মার্টফোন অ্যাপ, যেমন উইকিটুড (Wikitude) ও ড্রডিশ্যুটিং (Drodishooting)-এ অগমেন্টেড রিয়েলিটির ব্যবহার আমরা লক্ষ করছি। তবে এগুলো এখনও অগমেন্টেড রিয়েলিটির একেবারে প্রাথমিক অবস্থাকে ব্যবহার করতে পারছে। গুগলে প্রজেক্ট গ্লাস-এর কল্যাণে অগমেন্টেড রিয়েলিটি বিশাল একটি প্রযুক্তিতে রূপান্তরিত হতে শুরু করেছে। গুগল গ্লাস হচ্ছে চোখে পরার উপযোগী এক ধরনের চশমা যেটির সাহায্যে আমরা বাস্তবতার এমন ভার্চুয়াল সম্প্রসারণ দেখতে পাই, যার সাথে যোগাযোগ স্থাপন তথা মিথস্ক্রিয়া করা সম্ভব।

অগমেন্টেড রিয়েলিটি কেবল চশমাতেই নয়, যে কোনো কিছুতেই প্রয়োগ করা সম্ভব। তবে শর্ত হচ্ছে, সেই ডিভাইসটির রিয়েল টাইমে বাস্তব দুনিয়ার পরিবেশের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার ক্ষমতা থাকতে হবে। ধরুন, কাঁচের মত স্বচ্ছ একটি ডিভাইস, যেটি কোনো বস্তুুর সামনে ধরলেন (যেমন কোনো ভবন বা স্থাপনা), আর তার সম্পর্কিত নানা তথ্য ভেসে উঠল গ্লাসের ওপর। বা বিদেশে বেড়াতে গিয়ে সেদেশের ভাষায় লেখা একটা সাইনবোর্ড চোখে পড়ল, যার মাথামুন্ডু কিছুই আপনি বুঝতে পারছেন না, ঐ স্বচ্ছ ডিভাইসের মধ্যে দিয়ে ওটাকে দেখলেই আপনার নিজের ভাষায় সেটি অনুবাদ হয়ে গেল।

এছাড়া অগমেন্টেড রিয়েলিটি দিয়ে আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকেও মোবাইল ইউজার ইন্টারফেস তৈরি করা সম্ভব, যেখানে নিজের হাত বা ঘরের দেয়ালের ওপর ছবি ফেলে আপনি ঐ ইন্টারফেসের সাথে মিথস্ক্রিয়া চালালেন।

-সিনিউজভয়েস/ডেক্স/জুলাই/১৯

Please Share This Post.